ঢাকা, বুধবার ২৪, জুন ২০২৬ ৫:২৬:৫৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী ড্রেসিংরুমে আবেগঘন চিঠি রেখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লো ইরান দল ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ফ্রান্সে ২ শিশুর মৃত্যু নিরাপত্তা জোরদারে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন রেকর্ডের মুকুটে মেসি

লন্ডনে বাংলাদেশি শিক্ষিকা হত্যায় সন্দেহভাজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:১২ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লন্ডনে বাংলাদেশি শিক্ষিকা সাবিনা নেসা হত্যার জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  রোববার বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পূর্ব সাসেক্স থেকে ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এই গ্রেফতারকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ বলে উল্লেখ করেছে। 
সাবিনার পরিবারকে গ্রেফতারের ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

পুলিশ এবং ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাবিনা স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে পার্কের ভেতর দিয়ে পায়ে হেঁটে খুব কাছেই এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের ধারণা বাড়ি থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বেই হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। সেখানে একজন টাক মাথার পুরুষকে হাতে কিছু একটা নিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে। পুলিশ মনে করছে সাবিনা নেসা হত্যা রহস্য উদঘাটনে এই ব্যক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভিডিও ফুটেজের এই লোকটির পরণে ধূসর রঙের জিন্স এবং কালো জ্যাকেট। ফুটপাথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাকে মাথায় হুড টেনে দিতে দেখা যায়।

দক্ষিণ লন্ডনের এক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন সাবিনা নেসা। ২৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পড়াশোনা করেছেন গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাবিনা নেসাকে একজন ‘মেধাবী, দয়ালু এবং নিবেদিতপ্রাণ’ শিক্ষক বলে বর্ণনা করেছেন।

সাবিনা নেসার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়। যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের একটি ছোট্ট শহরে স্যান্ডিতে থাকেন তার পরিবার। বাবা আবদুর রউফ কাজ করেন স্যান্ডির একটি রেস্টুরেন্টে।

 

এই বিভাগের জনপ্রিয়