ঢাকা, শনিবার ২০, জুন ২০২৬ ২২:৩৯:১৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দ্রুততম গোলে তুরস্ককে হারিয়ে প্যারাগুয়ের জয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহের শুরুতেই কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের সহযোগিতার অঙ্গীকার ৬৪ সেকেন্ডেই বাজিমাত! প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎগতির গোলে হতবাক তুরস্ক ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি, দূষণের মাত্রা ‘মাঝারি’ ব্রাজিলের দাপুটে জয়, হাইতিকে উড়িয়ে নকআউটের পথে সেলেসাও কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম জয় মরক্কোর

শামীমাকে সিরিয়ায় পাচার করেন কানাডীয় গুপ্তচর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৯ এএম, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগিরক শামিমা বেগমকে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেয়ার জন্য সিরিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল কানাডার এক গোয়েন্দা সদস্য। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

কানাডার ওই গোয়েন্দা সদস্যের নাম মোহাম্মদ আল রাশিদ। তিনি সম্প্রতি তুরস্ক পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়েছেন। 


রাশিদ ২০১৫ সালে ১৫ বছর বয়সী শামিমা এবং তার বান্ধবী ১৬ বছর বয়সী খাদিজা ও ১৫ বছর বয়সী আমিরা আবাসি ইস্তাম্বুলের একটি বাস স্টেশনে দেখা করেন। সেখান থেকে ওই তিন কিশোরীকে তিনি সিরিয়ায় যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।

ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে কর্মরত বৈশ্বিক গোয়েন্দা সংস্থার এক জন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যাদেরকে সিরিয়ায় আইএসের কাছে রাশিদ পাচার করতো কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তাদের সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করতো রাশিদ।

শামিমা ও তার বান্ধবীদের সিরিয়ায় পাঠানোর কয়েক দিন পরই তুরস্কে গ্রেপ্তার হন রাশিদ। তিনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন, তিন ব্রিটিশ কিশোরী যে পাসপোর্ট ব্যবহার করেছিল তার ছবি তিনি তার কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ ওই সময় শামিমার খোঁজে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। অথচ এর আগেই কানাডার কাছে শামিমার সিরিয়ায় যাওয়ার সব তথ্য ছিল।

২০১৫ সালে সিরিয়ায় যাওয়ার পর সেখানে এক ব্রিটিশ আইএস যোদ্ধার সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই যোদ্ধা পশ্চিমাদের হামলায় নিহত হয়। বর্তমানে উত্তর সিরিয়ার ক্যাম্প রোজ শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন শামিমা। শামিমার পরিবার তাকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনার আবেদন করলেও ব্রিটিশ সরকার সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে এবং শামিমার নাগরিকত্ব বাতিল করেছে।