ঢাকা, শনিবার ২৭, জুন ২০২৬ ৪:০৭:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলার ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে উদ্ধার জীবিত নারী! চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে রাতে এমবাপ্পে-হাল্যান্ড লড়াই দেশে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যু ৭০০ ছাড়ালো সন্তানকে নিয়ে ইইউ বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী, গড়লেন নজির নারী টি-২০ বিশ্বকাপ: ভারতের কাছে বাংলাদেশের হার হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মৃত্যু ৫৫ নকআউটে প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন দলকে পেল ব্রাজিল, খেলা কবে? শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুদিবস আজ

সরকারি অফিসে ছাদবাগানের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১৫ পিএম, ১৫ জুন ২০২২ বুধবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সবাইকে অন্তত একটি করে ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, রাজধানীতে হয়তো সবার জায়গা নেই। তবে ছাদ তো আছে, নিজের বাসার ছাদে বাগান করেন।

বুধবার (১৫ জুন) গণভবনে কৃষক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে গিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি। গণভবন চত্বরে ছাতিম সফেদা ও হরিতকির চারা রোপণ করেন তিনি এ সময়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তত একটি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগান। শহরে যারা থাকেন তারা ব্যালকনিতে ছোট একটা গাছও লাগাতে পারেন। সরকারি অফিসগুলোতেও ছাদ বাগান করতে বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ দেশের চিন্তা করে, মানুষের কথা চিন্তা করে পরিবেশের কথা ভেবে পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচিও পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে একমাত্র দেশ যারা নিজস্ব ফান্ডে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড করেছে এবং কাজ করছে।

তিনি বলেন, ১৯৮৫ সাল থেকে ১ আষাঢ় থেকে তিন মাস ব্যাপকভাবে আমরা বৃক্ষরোপণ করে আসছি। কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করে।

সুন্দরবন রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ায় ১৯৯৮ সালে তা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজে স্থান পায় বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে, দলীয় ও সরকারি উদ্যোগে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ঝাউবন স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতার উদ্যোগে রোপণ করা হয়।

‘আমি ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ কৃষক লীগের তৎকালীন নেতৃবৃন্দকে বৃক্ষরোপণের জন্য অনুপ্রাণিত করি। ১৯৮৫ থেকে অদ্যবধি আষাঢ়-শ্রাবণ-ভাদ্র এই তিন মাস সারাদেশে ফলদ, বনজ ও ভেষজ এই তিন প্রজাতির গাছ লাগানোর কর্মসূচি অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করে আসছি।’

এ সময় কৃষক লীগের সভাপতি সমীল চন্দ্র, সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ বিটু উপস্থিত ছিলেন।