ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১০:৪২:৩০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫৪ এএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফল প্রকাশ, মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) ও চূড়ান্ত নিয়োগ হবে কি না– এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। খাতা দেখার কার্যক্রম শেষে শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে সামছুল আহসান বলেন, ইসি বা সরকার থেকে আমরা কোনো নির্দেশনা পাইনি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। খুব শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হবে।

২০ জানুয়ারির মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা আছে কি না– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ নিয়ে বিভিন্নভাবে অনুমাননির্ভর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা স্পেসিফিকভাবে কোনো তারিখ নির্ধারণ করিনি। ঠিক কবে ফল প্রকাশ হবে– এটা এখন কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। তবে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে বা ফল প্রকাশ করা হবে না– এমন তথ্য সঠিক নয়। ফল প্রস্তুত হলেই তা প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি।

পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায়। কেউ কেউ ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দাবি করে সেগুলো ফেসবুকে শেয়ারও করেন। পাশাপাশি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে ওঠে ‘ডিভাইস পার্টি’। তারা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে নকলের সহায়তা দেয়।

এ ঘটনায় ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া ২০৭ জন চাকরিপ্রার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩ জন, নওগাঁয় ১৮ জন, দিনাজপুরে ১৮ জন, কুড়িগ্রামে ১৬ জন ও রংপুরে দুজন রয়েছেন।

প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনেও নামেন চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যারা জালিয়াতির চেষ্টা করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ কারণে পরীক্ষা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।