ঢাকা, সোমবার ২২, জুন ২০২৬ ৯:৪৭:০৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নারী উদ্যোক্তা সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ৬৮ বছরে দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা আজ বাবা দিবস: ভালোবাসায় বাবাকে স্মরণের দিন ‘২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে’ বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিল জাপান লিবিয়া উপকূলে নারীসহ ১৫ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

সান্তাহারে জমজ দুই বোনের ‘জোড়া’ সাফল্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:১৭ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে এসএসসি পরীক্ষায় জমজ দুই বোন সাবরিনা মমতাজ তানিয়া ও সাদিয়া মমতাজ তমা জিপিএ-৫ পেয়েছেন। দু’জনই বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। ফল প্রকাশের পর শুক্রবার দুপুরে তারা গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তানিয়া ও তমা উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের নতুন বাজার (হাটখোলা) এলাকার এএফএম মমতাজুর রহমানের মেয়ে।

কেমন লাগছে জানতে চাইলে দু’জন একসঙ্গেই বলে ওঠে, “আমরা অনেক খুশি।”
তানিয়া ও তমার বাবা-মা শিক্ষক। পঞ্চম শ্রেণিতে তারা দু’জনই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, জেএসসিতেও উভয়েই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। এবার এসএসসিতেও একই সঙ্গে সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে  জিপিএ-৫ পাওয়ায় ভীষণ খুশি তারা। খুশি তাদের পরিবারও। 

সাবরিনা মমতাজ তানিয়া বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ আমরা দুই বোনই জিপিএ-৫ পেয়েছি। এজন্য আমরা দু’জন খুবই খুশি। একই স্কুল থেকে একই সময়ে গোল্ডেন জিপিএ নিয়ে বের হয়েছি, এটা অনেক মজার একটা বিষয়।”

সাদিয়া মমতাজ তমা বলেন, “এই ফলাফল পেতে আমাদের বাবা-মা, ভাই এবং গৃহ শিক্ষকদের অনেক সহযোগিতা আছে। সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে আমার মা-বাবার অনেক অবদান আছে। ফল পাওয়ার পর থেকে খুবই ভালো লাগছে।”

ধামকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও জমজ দুই বোনের মা হাসনা বানু বলেন, “যেহেতেু আমি এবং ওদের বাবা চাকরি করি, তাই অন্য পিতা-মাতার মতো তাদের সময় দিতে পারিনি। তারপরও স্কুল থেকে এসে চেষ্টা করেছি। ওরা নিজেরাই লেখাপড়ার বিষয়ে খুব আগ্রহী ছিল। কখনওই ওদের দু’জনকে পড়তে বসার জন্য বলতে হয়নি। ওদের আগ্রহের জন্য আমাদের প্রত্যাশা ছিল ওরা ভালো রেজাল্ট করবে। ওরা তাই করেছে। খুব ভালো লাগার বিষয় হল- ওরা একে অপরকে খুবই ভালোবাসে। তবে ওদের ভেতরে লেখাপড়া ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে কখনো প্রতিযোগিতা দেখিনি। ওরা দু’জনই ডাক্তার হতে চায়।