ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩, জুন ২০২৬ ৪:৪৯:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ঢাকায় টেনিস: উইম্বলডনে খেলবেন সেরেনা উইলিয়ামস লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের সমালোচনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস থেকে মমতার বিদায়, নতুন চেয়ারম্যান অরূপ রায় চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ যে তিন রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, কারাগারে প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩৪ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ রবিবার

ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের সময়ের ভিডিও নিজ মোবাইলে ধারণের অভিযোগে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২৬সেপ্টেম্বর) বান্দরবান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযুক্ত শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযুক্ত শিক্ষক সমর কান্তি দত্তকে (৫৬) রুমা বাজার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার প্রধান শিক্ষকের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ এবং কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ছাত্রী ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। তারপর ওই ছাত্রী প্রধান শিক্ষক সমর কান্তি দত্তের বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়তে শুরু করে। এসময় ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। ভয়ে মেয়েটি ঘটনাটি প্রথমে কাউকে জানায়নি। কিন্তু ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক বিভিন্নসময় ভিডিওচিত্রগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে তার কাছে যেতে বলেন। কিন্তু মেয়েটি তার কাছে আর না যাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক গত বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ধর্ষণের ভিডিও চিত্রটি মেয়েটির মুঠোফোনে পাঠান। তখন ওই শিক্ষার্থী তার বড় বোনকে পুরো ঘটনা জানায়।

জানা যায়, এ ঘটনায় ছাত্রীর বড়বোন শুক্রবার রাতে রুমা থানায় একটি মামলা করেন। এরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় শিক্ষক সমর কান্তি দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।