ঢাকা, সোমবার ২২, জুন ২০২৬ ০:২৫:২৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নারী উদ্যোক্তা সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ৬৮ বছরে দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা আজ বাবা দিবস: ভালোবাসায় বাবাকে স্মরণের দিন ‘২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে’ বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিল জাপান লিবিয়া উপকূলে নারীসহ ১৫ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

৪৫ বছর পর মায়ের দেখা

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩৭ এএম, ১০ এপ্রিল ২০২২ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বাবা নেই, থাকার ঘরটিও পুড়েছে আগুনে। দারিদ্র্যের তাড়নায় বাবাহীন কুলসুমের আশ্রয় মেলে আশ্রমে। সেই থেকে বিচ্ছেদ ঘটে পরিবারের সাথে।

সব হারিয়ে অসহায় কুলসুমের জীবনে শান্তির দূত হয়ে আসেন সুইজারল্যান্ডের এক দম্পতি। অনাথ আশ্রম থেকে তাকে দত্তক নিয়ে যান তারা।

পাঁচ বছরের সেই কুলসুম সুইজারল্যান্ডে বেড়ে উঠলেও ভুলতে পারেননি মায়ের কথা। অবশেষে ৪৫ বছর পর মাকে খুঁজে পেলেন কুলসুম। যদিও তার নাম এখন ম্যারিও সিমো ভ্যামৌ। শনিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আপন নীড়ে ফিরেছেন কুলসুম।

আপন আঙিনায় নামতেই কুলসুমকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্বজনরা। এ সময় ভিড় জমান আশপাশের লোকজনও। কয়েক দশক পর আপনজনদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কুলসুম। ফেরেন মায়ের কোলে।

মাকে পেয়ে পাগলপ্রায় কুলসুম। ক্ষণে ক্ষণে মাকে চুমু খাচ্ছেন আর জড়িয়ে ধরছেন। বলছেন তার না বলা কথা। বাংলা তেমন একটা বলতে না পারলেও স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ পাচ্ছে তার চোখে-মুখে। সঙ্গে এসেছেন কুলসুমের স্বামী আন্দ্রে সিমন ভারমুট। তিনিও জানাচ্ছেন নিজের মনের অনুভূতি।

কুলসুম বলেন, অসচ্ছল পরিবারে জন্ম নেয়ায় পাঁচ বছর বয়সে চাচার পরামর্শে আমাকে অনাথ আশ্রমে দেন মা। ওই সময় আমাদের ঘরটিও আগুনে পুড়ে যায়। তবে অনাথ আশ্রম থেকেই আমাতে দত্তক নেন সুইস দম্পতি। এরপর সেখানেই সবকিছু। হ্যাঁ এটা ঠিক। আমি একটা ভালো জীবন হয়তো পেয়েছি। তবে আমার ৪৫ বছরের সুখে ওই পাঁচ বছর দুঃখ হয়েই চেপে আছে। মনের মধ্যে প্রতিটা মুহূর্তই চাওয়া ছিলো পরিবারকে ফিরে পাওয়ার। অবশেষে খুঁজে পেয়েছি।

কুলসুম আরও বলেন, মায়ের নাম মরিয়ম। আমরা চার ভাই-বোন ছিলাম। বাবা ছিলেন ফার্মাসিস্ট। আমি মায়ের সঙ্গে লঞ্চে করে এসেছিলাম ঢাকায়। এরপর উঠেছিলাম মোহাম্মদপুরে চাচার বাসায়। যদিও ঠিকানাটা মনে নেই। এতো বছর পর পরিবারকে পেয়ে অনেক খুশি।