ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ১২:০৪:৩৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: নিহত বেড়ে ২৩ বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বধ্যভূমি মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

অলকা ইয়াগ্নিকের ভালোবাসার গল্প

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৯:০৩ পিএম, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ শুক্রবার

অলকা ইয়াগ্নিক, ভারতীয় স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পী। এক সময় এক চেটিয়া গেয়েছেন সিনেমার গান। সুখি দাম্পত্ত জীবন তার। ২৫ বছর স্বামীর থেকে আলাদা আছেন অলকা ইয়াগ্নিক। তবু কমেনি ভালোবাসা।

 

২০০০ এরও বেশি গানের রেকর্ডিং করেছেন অলকা | ১৪ বছর বয়সে গানের ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন | ১৬ টা বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন | কোনো সন্দেহ নেই নয়-এর দশকের মেলোডি কুইন উনি | আমরা কথা বলছি অলকা ইয়াগ্নিকের | অলকার ব্যক্তিগত জীবনও কিন্তু ছকে বাঁধা নয় | উনি ১৯৮৯ সালে নীরজ কপূরকে বিয়ে করেন | নীরজ শিলং এর একজন সফল ব্যবসায়ী | এই দম্পতি ২৫ বছরেরও বেশি আলাদা আছেন কিন্তু একে অপরের জন্য ভালোবাসা এক বিন্দুও কমেনি |

 

১৯৮৬ সালে অলকা ওঁর মায়ের সঙ্গে দিল্লি গিয়েছিলেন ট্রেনে করে | অলকার মায়ের বান্ধবীর বোনের ছেলে নীরজ কপূর ওঁদের স্টেশনে নিতে আসেন | সেই প্রথম অলকা ও নীরজের দেখা |

 

মুম্বই ফিরে যাওয়ার পরেও নীরজের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন অলকা | এমনকি নীরজ ব্যবসার কাজে মুম্বই গেলে অলকার সঙ্গে এক দু বার দেখাও করেন | প্রায় ৬ মাস বাদে ওঁরা বুঝতে পারেন ওঁদের সম্পর্ক বন্ধুত্বের থেকে বেশি |

 

দু‘ বছর প্রেম করার পর ওঁরা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন | ১৯৮৮ সালটা অলকার কাছে খুবই স্পেশাল | এই বছর মুক্তি পায় ওঁর প্লেব্যাক করা গান ‘ এক দো তিন ‘ যা খুবই জনপ্রিয় হয় | ওই একই বছর অলকা ওঁর পরিবারকে জানান উনি নীরজকে বিয়ে করতে চান |

 

দুই পরিবারই এই বিয়ের বিরুদ্ধে ছিলেন | তাঁরা অলকা এবং নীরজ দুজনকেই বোঝান আলাদা জায়গায় থেকে কোনমতেই ওঁদের বিবাহিত জীবন সফল হতে পারে না | কিন্তু শেষ অবধি তাঁরা হার মানেন | এবং ১৯৮৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে অলকা ও নীরজ বিয়ে করেন | বিয়ের পর অলকা মুম্বইতে থেকে যান আর নীরজ ফিরে যান শিলং | ওই একই বছর ওঁদের একমাত্র মেয়ে শায়েশা জন্মায় | শায়েশা বরাবর মায়ের কাছেই থেকেছে |

 

অলকা একা হাতেই মেয়ে শায়েশাকে মানুষ করেছেন | উনি কিছুতেই নিজের কেরিয়ার বিসর্জন দিয়ে নীরজের কাছে শিলং এ যেতে রাজি হননি | অলকা অবশ্য বরাবর বলেছেন নীরজ কোনদিনই ওঁকে কোন ব্যাপারে জোর করেননি | এবং স্ত্রীর কেরিয়ারকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন | নিজের কাজ সামলে নীরজ মাঝে মধ্যেই মুম্বইতে স্ত্রীর কাছে যেতেন | অন্যদিকে অলকা প্রতি বছর এক মাস করে নীরজের সঙ্গে শিলং-এ সময় কাটাতে লাগলেন নিয়ম করে |

 


অলকা এও জানান নীরজ মুম্বাইতে ব্যবসা আরম্ভ করেছিলেন যাতে উনি অলকার সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারেন | কিন্তু বড় অঙ্কের অর্থ ক্ষতি হওয়ায় উনি আবার বাধ্য হয়ে শিলং ফিরে যান |

 

মাঝে মতের পার্থক্যের জন্য ৪-৫ বছরের জন্য অলকা ও নীরজ আলাদ হয়ে যান | কিন্তু পরে দুজনে পার্থক্য ভুলে আবার এক হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন |