আঠাবিহীন রঙ্গিন লাল কাঁঠাল, চাষ করবেন যেভাবে
অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৬:৪১ পিএম, ১ জুন ২০২২ বুধবার
ফাইল ছবি।
ভিয়েতনামের সুপারি, নারিকেলের পর এবার বাংলাদেশে চাষ হচ্ছে লাল জাতের কাঁঠাল। কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। বাণিজ্যিক ভাবে আমাদের দেশে এই ফল চাষ না হলেও সুমিষ্ট এই কাঁঠাল দেশের সর্বত্রই কম বেশি হয়ে থাকে এবং ছোট বড় সকলের কাছেই জনপ্রিয় সুমিষ্ট এই ফল।
তবে বৈচিত্রের কারনে দেশী কাঁঠালের পাশাপাশি বাংলাদেশে ক্রমেই জনপ্রিয়তা লাভ করছে ভিয়েতনামের লাল রংয়ের কাঁঠাল। মুলত থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনাম কাঁঠালের বেশকিছু সংখ্যক উন্নত জাত অবমুক্ত করেছে। তার অন্যমত হলো ভিয়েতনামি আঠাবিহীন রঙ্গিন কাঁঠাল। তবে এই কাঁঠালের সাইজ কিছুটা ছোট হয়।
এসব জাতের কাঁঠালে আঠা, ভোঁতা বা ছোবড়াও নেই। এসব কাঁঠাল কেবল কোয়া বা কোষে ঠাসা। ফল অতি সুস্বাদু, মিষ্টি এবং রং-বেরঙের (গোলাপী, লাল)। সাধারণ মানের কাঁঠালের চেয়ে দাম তিন থেকে চারগুণ বেশি। এর অন্যতম সুবিধা হলো এই জাতের কাঁঠালের বাগানে খরচ কম লাভ বেশি। এর একটা বারোমাসি জাতও আছে।
লাল জাতের কাঁঠাল চাষতা লাগানো হলে বারোমাস ধরে অসময়ে প্রচুর ফল বেশি দামে বিপনন সুবিধা নিশ্চিত হতে পারে। প্রতিকুল অবস্থায়ও বাংলাদেশ কাঁঠাল উৎপাদন কারি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ভারত রয়েছে প্রথম স্থানে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং নেপালের অবস্থান ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম।
বাংলাদেশে অতি প্রাচীন কাল থেকে সাধারণত- খাজা, আদারসা ও গালা নামের তিন ধরণের কাঁঠাল চাষ হয়। কিন্তু বর্তমানে উচ্চ ফলনশীল জাতের ২টি কাঁঠাল, বারি কাঁঠাল-১ এবং বারি কাঁঠাল-২ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবন করেছে। তবে এসবের বাইরেও বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের যেসব কাঁঠাল পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্যে ভিয়েতনামি লাল কাঁঠাল গাছ অন্যতম। এর ইংরেজী নাম Gac Baby Jackfruit.
জমিতে, ছাদে বা ড্রামে লাল কাঁঠাল লাগানোর নিয়ম:
জমি নির্বাচন: বর্ষায় বা বৃষ্টিতে পানি জমে না এমন উঁচু ও মাঝারি সুনিষ্কাষিত উর্বর জমি কাঁঠালের জন্য উপযোগী। ছাদে বা ড্রামে কাঁঠালের চারা লাগাতে চাইলে মাঝারি থেকে মোটামুটি বড় মাপের একটি ড্রাম নির্বাচন করতে হবে। তারপর সেখানে মাটি ভরে চারা লাগানোর উপযোগী করে মাটি প্রস্তুত করতে হবে।
কাঁঠালের চারা তৈরি: কাঁঠালের বীজ থেকে কাঁঠালের চারা তৈরি করা হয়। কিন্তু কলম এর চারাতে ফলন ভালো হয়। গুটি কলম, ডাল কলম, চোখ কলম, চারা কলমের মাধ্যমেও চারা তৈরি করা যায়। এছাড়া আপনি বিভিন্ন নার্সারী থেকেও ভিয়েনামী লাল কাঁঠালের চারা কিনতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি নিশ্চিত হয়ে নিবেন দোকানী আপনাকে ভালো মানের কলম চারা দিচ্ছে কিনা।
চারা রোপণ: বাড়ির আঙিনায়, ছাদে ড্রামে, পুকুরপাড়ে, বাণিজ্যিক বাগানে এই লাল কাঠাল লাগানো যায়। বসতবাড়িতে শখ করে দু-একটা গাছ লাগানো যেতে পারে। সুস্থ, সবল ও রোগমুক্ত চারা বা কলম মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ মাসে রোপণ করতে হয়। গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১২ মিটার করে রাখলে ভালো হয়। চারা রোপনের পর নিয়মতি পরিচর্যা ও দেখভাল করা ছাড়া আর কিছু করার প্রয়োজন নেই।
কাঁঠাল গাছে ফুল আসার পর মুচি থেকে কাঁঠাল বড় হয়ে সেই কাঠাল পাকতে ১২০-১৫০ দিন সময় লাগে।
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি


