ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৬:৩৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

আলিয়ার আসল পরিচয় কী, নিজেই জানালেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০০ এএম, ১৪ মে ২০২৪ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের একজন আলিয়া ভাট। সম্প্রতি মেটা গালায় আলিয়া নজর কেড়েছেন সকলের। কর্মজীবনে একের পর এক সাফল্য পেয়েছেন আলিয়া। আলিয়া যে বিশ্বমানের অভিনেত্রী, তা ভাল ভাবেই জানেন স্বামী রণবীর কাপুর।
তাই পেশাদার অভিনেত্রী হিসাবে আলিয়াকে আরও এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দেন। তবে সে ‘অভিনেত্রীকে’ কিংবা ‘রণবীরের স্ত্রীকে’ নয়, বরং যে ভূমিকায় নিজেকে সবার প্রথমে রাখতে চান, সেটাই সম্প্রতি জানালেন আলিয়া।
২০২২ সালের এপ্রিলে রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট গাঁটছড়া বাঁধেন। বর্তমানে দেড় বছরের কন্যাসন্তানের মা-বাবা হয়েছেন তারা। মেয়ে রাহাকে চোখে হারান রণবীর-আলিয়া। তাকে এক মুহূর্তের জন্যেও কাছছাড়া করতে চান না তারা। নিজের ছবির প্রচার হোক কিংবা বিদেশ ভ্রমণ অথবা অম্বানীদের পার্টি, সর্বক্ষণ বাবার কোলে একরত্তি রাহা। তাই রণবীরের স্ত্রী নয়, বরং তিনি সবার আগে রাহার মা। মেয়েই অগ্রাধিকার পায় তার জীবনে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন আলিয়া।
পাশপাশি স্বামীকে নিয়ে অজানা তথ্য প্রকাশ্যে আনেন তিনি। আলিয়ার কথায়, 'আসলে আমরা দু’জনে আলাদা মানুষ। সাফল্য ও ব্যর্থতা, দু’টি গ্রহণ করার পদ্ধতিও আমাদের আলাদা-আলাদা। আমি বেশি ভাবি। ব্যর্থতা পেলে সেটা নিয়ে চিন্তা করি। কিন্তু রণবীর দুই ক্ষেত্রেই সবটা পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারে। '
মেয়েকে নিয়ে আলিয়া বলেন, 'মেয়ের জন্মের পরই আমরা একটি সিদ্ধান্তে আসি যে, মেয়েকে একা ছাড়ব না কখনও। রাহাকে কখনও আমি দেখব, কখনও রণবীর। যার যখন কাজ থাকবে, অন্যজন ছুটি নিয়ে আমরা সন্তানের কাছে থাকব। এভাবেই পরিকল্পনা করে রেখেছি। আমিও তো ভাল মা হতে চাই! তবে রাহার জন্মের পর থেকে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা হয়। যা-ই করি, মনে হয়, আমার সন্তানের এতে ভাল হবে তো! শেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, ওকে আমরা আমাদের সেরাটা দেব। বাকিটা ঈশ্বরের উপর। '