ঢাকা, শুক্রবার ০৫, জুন ২০২৬ ১৫:২৪:০৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন নিয়ম: যে নির্দেশনা দিলো ঢাকার দূতাবাস খেলাপি ঋণ অর্থনীতিকে প্রচণ্ড চাপে ফেলছে: ড. ফাহমিদা বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩ ফ্রেঞ্চ ওপেনে ইতিহাস গড়ার পথে খয়ালিনস্কা অবশেষে ‘খোঁজ’ মিলল দুবাই রাজপরিবারের সাবেক পুত্রবধূর ঈদ-পরবর্তী স্বস্তি, তবু মাছের বাজারে আগুন আজ দেশের ৮ বিভাগেই বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস ডুবি

কর্মজীবী নারীরা মেনে চলুন কিছু টিপস

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩১ এএম, ২২ মার্চ ২০২৪ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

নারীরা পরিবারের সদস্যদের যতটা যত্ন নেন নিজের ব্যাপারে ততটা যত্নশীল নন। আর কর্মজীবী নারী হলে তো কথাই নেই। বাড়ি ও অফিসের কাজের মধ্যে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে তারা নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারেন না। এ কারণে তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এতে তাদের মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ কারণে সময় থাকতে নিজের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া উচিত। কর্মজীবী নারীরা নিজেদের সুস্থ রাখতে কয়েকটি টিপস মাথায় রাখতে পারেন-

ডায়েটের যত্ন নিন


বেশির ভাগ কর্মজীবী নারী তাদের খাদ্যাভ্যাসের দিকে মনোযোগ দেন না। তবে, প্রতিটি নারীর সকালে ভরপেট সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার সময়মতো করা গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন এবং জাঙ্ক ফুড বা ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন।

হাইড্রেটেড থাকা


কম পানি পান করলে শানিশূন্যতা এবং অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। এ কারণে দিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন। হাইড্রেটেড থাকার জন্য ফলের রস এবং সবজির রসও পান করতে পারেন।

ভালো ঘুম এবং ব্যায়াম

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকতে অবশ্যই ৭-৮ ঘন্টা ঘুম সম্পূর্ণ করতে হবে। এছাড়াও রাতে সঠিক সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠুন।

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

বাড়ি ও অফিস দুটোই সামলানোর ক্ষেত্রে চাপ থাকাটা স্বাভাবিক। মানসিক চাপ কমাতে স্ট্রেস ম্যানেজ করার কৌশল অবলম্বন করুন। সেক্ষেত্রে মেডিটেশন, শরীরচর্চার অভ্যাস করুন। 

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

বেশিরভাগ নারীরই তাদের নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেন না। কিন্তু, এই অসাবধানতা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ব্যয়বহুল হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো মারাত্মক রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সময়ে সময়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি।