ঢাকা, বুধবার ২২, জুলাই ২০২৬ ২০:৫৪:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

কিডনি ভালো রাখতে যে কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে

স্বাস্থ্য ডেস্ক  | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৬ পিএম, ৭ মার্চ ২০২৫ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মানবদেহের রেচনতন্ত্রের প্রধান অংশ কিডনি। এর মূল কাজ রক্ত ছেঁকে রেচন পদার্থ (যেমন ইউরিয়া) পৃথক করা এবং মূত্র উৎপাদন। মানবদেহের সব রক্ত দিনে প্রায় ৪০বার কিডনি বা বৃক্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়াও দেহে পানি এবং তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ বা ইলেকট্রোলাইট যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদির ভারসাম্য বজায় রাখে। এছাড়া, এটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে হরমোন নিঃসরণ করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। 

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গের যত্ন নেওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা ও হাইড্রেশন। রোজকার জীবনযাত্রায় কিডনি ভালো রাখতে করণীয় জানুন- 

 

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

কিডনি ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। আর কিডনি সমস্যার মূলের আছে এই দুটি রোগ। অতিরিক্ত ওজন কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই কিডনি ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। গোটা শস্য, তাজা ফল ও শাকসবজি-সহ সুষম খাদ্যের ওপর নজর দিন।

সক্রিয় থাকুন

নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীরচর্চা করতে সময় না পেলে দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। এছাড়াও যোগ-ব্যায়াম, নাচ কিংবা সাঁতার কাটার মতো সাধারণ দৈনন্দিন কার্যকলাপও কিডনিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

কিডনি ভালো রাখতে ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। দীর্ঘমেয়াদী ডায়াবেটিস এবং রক্তচাপের কারণে কিডনির ভয়ানক ক্ষতি হতে পারে। নিয়মিত ব্লাড সুগার এবং প্রেশার পরীক্ষা করুন। এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওষুধ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন সম্পর্কে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

পানি ও লবণের দিকে নজর দিন

কিডনি থেকে টক্সিন বের করে বিষমুক্ত রাখতে পরিমিত পানি পান করুন। কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করতে দিনে কম করে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও, লবণ খাওয়া কমিয়ে দিন। এতে কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে এবং কিডনির ক্ষতি করতে পারে।  

প্রক্রিয়াজাত খাবার, ধূমপান, অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন

কিডনির সুরক্ষায় প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। প্যাকেটজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে ভেষজ ও মশলা দিয়ে তৈরি তাজা, ঘরে রান্না করা খাবার খান। পাশাপাশি ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস বন্ধ করুন। ধূমপান কিডনিতে রক্তপ্রবাহ হ্রাস করে। ফলে কিডনির সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা হারায়। অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ বাড়াতে পারে। তাই এই অভ্যাস ছাড়ুন।