কোরবানি ঈদের আগেই এসব মশলা সংরক্ষণ করুন
লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৩২ পিএম, ২৯ মে ২০২৫ বৃহস্পতিবার
সংগৃহীত ছবি
কোরবানি ঈদ মানেই গরু বা খাসির মাংস, আর মাংস মানেই সুস্বাদু রান্না। কিন্তু সেই রান্নার স্বাদ নির্ভর করে মূলত সঠিক মশলার ব্যবহারের উপর। কোরবানির ঈদের আগে হঠাৎ করে বাজারে ভিড়, পছন্দের জিনিস না পাওয়ার কারণে রান্নার পরিকল্পনায় বিঘ্ন হয়। তাই ঈদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগেভাগেই কিছু প্রয়োজনীয় মশলা মজুদ করে রাখা জরুরি।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোরবানি ঈদের আগে কোন কোন মশলা মজুদ রাখা জরুরি এবং কীভাবে তা সংরক্ষণ করবেন।
পেঁয়াজ-আদা- রসুন: পেঁয়াজ, আদা ও রসুন ছাড়া মাংস রান্না কল্পনাও করা যায় না। ঈদের আগে এগুলোর দাম বেড়ে যাওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। তাই আগেই কিনে সংরক্ষণ করুন। কেনার পর এগুলো শুকনো ও ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন। পচন ঠেকাতে ঝুড়িতে বা কাগজে মুড়িয়ে রাখতে পারেন। রসুন বেশি দিন ভালো রাখতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে ফ্রিজে কিংবা তেল দিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। আদা কেটে বা বেটেফ্রিজে রেখে দিন। চাইলে আইস কিউব ট্রেতে দিয়েও ছোট ছোট করে সংরক্ষণ করতে পারেন।
হলুদ গুঁড়া: হলুদ শুধু রঙ ও স্বাদের জন্য নয়, জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে। ঈদের আগে এটিও মজুদ করতে পারেন। শুকনো বয়ামে ভরে ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন। বাজার থেকে কেনার সময় ভালো মানের বিশুদ্ধ হলুদ কিনুন, প্রয়োজনে নিজে বেটে নিন।
লবণ: সব ধরনের রান্নায় লবণ অপরিহার্য। লবণ ভালোভাবে মুখবন্ধ পাত্রে রাখুন যেন আর্দ্রতা না পায়। চাইলে পাথরের লবণ বা সোল্টও সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।
জিরা (গুঁড়া ও আস্ত): মাংসের রান্নায় জিরা স্বাদ ও গন্ধ বাড়ায়। আস্ত জিরা শুকিয়ে গুঁড়া করে রাখলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে। বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন।
ধনে (গুঁড়া ও আস্ত): ধনে গুঁড়া দিয়ে ঝোল বা ভুনার স্বাদ বাড়ে। ধনে গুঁড়া ফ্রিজে না রেখে শুকনো স্থানে রাখুন। ভালো হলে আস্ত ধনে কিনে নিজে ভেজে গুঁড়া করতে পারেন।
গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জয়ফল, জায়ত্রি): গরুর কাবাব, কোর্মা কিংবা তেহারির জন্য গরম মশলা অপরিহার্য। এসব মশলা আলাদা আলাদা পাত্রে রেখে শুকনো স্থানে রাখুন। গুঁড়া করলে স্বাদ তাড়াতাড়ি কমে যায়,ল। তাই প্রয়োজনে ব্যবহার করার সময় গুঁড়া করাই ভালো।
মরিচ (শুকনা ও গুঁড়া): ঝাল পছন্দ করেন যারা, তাদের জন্য শুকনা মরিচ ও মরিচ গুঁড়া চাই-ই চাই। ভেজালমুক্ত শুকনা মরিচ ও গুঁড়া সংগ্রহ করুন। গুঁড়া মরিচ বেশি দিন রাখলে স্বাদ কমে যেতে পারে, তাই পরিমাণমতো সংরক্ষণ করুন।
কাসুন্দি ও সরিষা: মাংস ম্যারিনেট করার জন্য বা বিশেষ রান্নায় সরিষা ও কাসুন্দি ব্যবহার হয়। এটি ফ্রিজে রাখলে বেশি দিন ভালো থাকে।
তেল (সরিষা, সয়াবিন বা ঘি): ভাজা বা কষানো রান্নায় ভালো মানের তেল বা ঘি প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই পরিমাণমতো তেল কিনে রাখুন। ঘি ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে অনেক দিন ভালো থাকে।
অতিরিক্ত কিছু মশলা: কোরবানির ঈদে বিশেষ রান্নার জন্য বিশেষ কিছু মশলা কিনে রাখতে পারেন। কাবাব মশলা, তন্দুরি মশলা, বিফ মসলা, বারবিকিউ সস, গোল মরিচ, শুকনা পুদিনা পাতা বা ধনে পাতা, সাদা গোল মরিচ। এসব মশলা রান্নার স্বাদ বাড়িয়ে দিবে।
ঈদের সময় বাজারের ভিড়, মূল্য বৃদ্ধি বা খারাপ মানের পণ্যে না গিয়ে এখনই পরিকল্পনা করে প্রয়োজনীয় মশলা মজুদ করে রাখুন।
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি









