ঢাকা, বুধবার ১৮, মার্চ ২০২৬ ২১:৩৭:১১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

গাজায় চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশি সেবাসংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:৩৭ পিএম, ৬ আগস্ট ২০২৫ বুধবার

গাজায় চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশি সেবা সংস্থা

গাজায় চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশি সেবা সংস্থা

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ভূখণ্ডের সরকারি চারটি হাসপাতালে চিকিৎসা, খাদ্য ও পানি সহায়তা দিচ্ছে সরকার-নিবন্ধিত সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ।

গত ১ আগস্ট থেকে ওইসব হাসপাতালে সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি। এর আগে, গত ৩১ জুলাই গাজায় চিকিৎসা সহায়তা দিতে সংস্থাটিকে সিল ও সইসহ একটি অফিসিয়াল অনুমতিপত্র প্রদান করে ফিলিস্তিন সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গাজার হাসপাতালগুলো হলো— পশ্চিম গাজার শারে আল-ওয়াহদাহের মুজাম্মাউশ শিফা আত-তিব্বি, উত্তর গাজার আন-নসরের রানতিসি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, মধ্য গাজার ডেয়ার আল-বালাহের আল-আকসা হাসপাতাল ও দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের ইউরোপিয়ান গাজা হাসপাতাল।

চলমান এই সেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংস্থাটির কর্মীরা আশ্রয় শিবির থেকে শুরু করে ভাঙা হাসপাতালের বারান্দা পর্যন্ত ছুটে যাচ্ছেন খাদ্য, ওষুধ, পানি এবং চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে। 

রাফাহ সীমান্ত দিয়ে গাজায় প্রবেশ করা তিন শতাধিক শিশুর জন্য একটি স্কুল পরিচালনার উদ্যোগও নিয়েছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল, যেখানে শিশুরা ‘বাংলাদেশ’ শব্দটিকে বলছে কৃতজ্ঞতা ও আশার প্রতীক হিসেবে। 

চ্যারিটেবলের সহ-সভাপতি মাওলানা মুহসিন বিন মুঈন বলেন, সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈধতার আওতায় মিশরে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি কর্মীদের হাতে নগদ অর্থ হস্তান্তর করেন। এই অর্থ পরবর্তীতে ব্যাংক অব ফিলিস্তিন–এর মাধ্যমে গাজায় প্রেরিত হয়। কখনো প্রতিনিধিরা যেতে না পারলে, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশ্বস্ত ছাত্রদের মাধ্যমে অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়।

সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইবরাহিম মিয়া বলেন, মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো কোনো অপরাধ নয়। যুদ্ধ থামায়নি আমাদের মনুষ্যত্ববোধ। আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি সেই নিষ্পাপ শিশুদের, যাদের শৈশব কেঁদে মুছে গেছে ধ্বংসস্তূপে। ইতিহাসই প্রমাণ রাখবে—মানবিকতার পক্ষে সাহসিকতাই শ্রেষ্ঠ।