ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১০:২১:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

জাতিসঙ্ঘের নারী মহাসচিব প্রার্থী এসপিনোসার প্রচারণা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১৪ পিএম, ১৪ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার

ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা। ছবি : সংগৃহীত

ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা। ছবি : সংগৃহীত

ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্ব দেয়ার আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন। জাতিসঙ্ঘের শীর্ষ পদে একজন নারীকে নিয়োগ দেয়া ‘ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের’ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

জাতিসঙ্ঘের প্রথম নারী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নেমেছেন এসপিনোসা। বর্তমানে এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন। তাদের মধ্যে আরো দু’জন নারী রয়েছেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।  

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসপিনোসা বলেন, জাতিসংঘের প্রতি তার ‘গভীর ভালোবাসা’ রয়েছে।

তিনি বলেন, অনেকে বলেন, এখন সময় এসেছে জাতিসংঘের নেতৃত্বে একজন নারী আসার। আর আমি মনে করি, এটি ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।

এসপিনোসা আরও বলেন, তবে আমি এটিকে যোগ্যতার বিষয় হিসেবেও দেখি। জাতিসংঘের সেবায় অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও দক্ষতার পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো প্রয়োজন।

এসপিনোসার ভাষায়, ‘বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে এই সম্ভাবনার বাইরে রাখা যায় না।’ 

তিনি আরও বলেন, বিপজ্জনক সময়ে ‘ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির’ প্রয়োজন রয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ-সংঘাত বেড়ে যাওয়ার মধ্যে জাতিসংঘের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও আর্থিক সংকটে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও রয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে।

এসপিনোসা বলেন, ‘জাতিসংঘকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। উল্টোটা নয়।’ 

বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘোষিত সংস্কারের চেয়েও আরও উচ্চাভিলাষী পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি সম্ভাব্য সংঘাতের আগাম সংকেত শনাক্ত ও সতর্ক করতে একটি ‘আর্লি ওয়ার্নিং’ ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন। অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সমর্থনে জমা দেওয়া তার ‘ভিশন’ নথিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

এসপিনোসা বলেন, ‘এটি কঠিন দায়িত্ব। তবে যদি আপনি কাজটি করতে জানেন ও নিজের নেতৃত্বের ধরনে আত্মবিশ্বাসী হন, তাহলে জাতিসংঘ একবিংশ শতাব্দীকে আরও আশাবাদ ও সম্ভাবনার দৃষ্টিতে দেখতে পারবে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, পরিবর্তন কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। বরং ‘দৃঢ় নেতৃত্বের’ অধীনে ‘রাজনৈতিক গতি’ তৈরি করেই তা সম্ভব।

বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেও এসপিনোসা মনে করেন, ‘মানবজাতির অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘই একমাত্র সার্বজনীন প্ল্যাটফর্ম।’

নিজের প্রার্থিতা প্রচারে জাতিসংঘ ব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এসপিনোসা নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন। 

এপদে দায়িত্ব পালন করা মাত্র পাঁচজন নারীর একজন তিনি।

তবে প্রতিদ্বন্দ্বী চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান ও সেনেগালের ম্যাকি সালের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে চাননি এসপিনোসা।