দিনাজপুরে সূর্যমুখী চাষে ঝুকছেন কৃষকেরা
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:৫৪ এএম, ২৩ মার্চ ২০২২ বুধবার
ফাইল ছবি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ও আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং দুই ফসলি জমিগুলোকে তিন ফসলে রুপান্তর করতে সরকারের প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার প্রদানসহ নানা সহযোগীতায় পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছে সূর্যমুখী চাষ।
সুর্যমুখী মানে একটি ফুলের নাম। অনেকেই শখ করে বাসায় কিংবা ছাদে সৌন্দর্যের জন্য টবে লাগিয়ে থাকেন। সবুজের মাঝে যেন একখন্ড হলুদের গাছগুলো দোল খাচ্ছে, ছড়াচ্ছে সৌন্দর্য। বিস্তীর্ণ সবুজের মাঠে হলুদ আর সবুজের মিশেলে বড়ই মহাবিয়াম সূর্যমুখীর এ দৃশ্য। স্বল্পমেয়াদী ফসল হওয়ায় দুই ফসলি জমিতে তিন ফসলিতে রুপান্তরের স্বপ্ন দেখছেন অনেক কৃষকেরা।
নবাবগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সাজু মিয়া নিজ বাড়ির পাশ্ববর্তী ৫ বিঘা আবাদী জমিতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এই প্রথম সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। জানুয়ারি মাসে এই সূর্যমুখী ফুলের চারা রোপণ করেন। জৈবসার আর রাসায়নিক সারের সংমিশ্রণ আর নিয়মিত পানির সেচ প্রদান করায় এখন সুর্যমুখি চাষের জমিতে আসলে মন ভরে যায় ।
একই গ্রামের কৃষক মো. স্বাধীন মিয়া জানান, ধান চাষ খুব একটা লাভজনক নয়। ধান চাষ করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় সেই টাকার ধান পাওয়া যায় না। তাই অন্যন্যা ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের প্রত্যাশা করছেন তারা। সূর্যমুখী ফুলের চাষ করলে ফুল থেকে তৈল, খৈল ও জ্বালানি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি বীজ থেকে কমপক্ষে আধা লিটার তৈল উৎপাদন সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে ৭ মন থেকে ১০ মন বীজ উৎপাদন হয়। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার টাকা।
দর্শনার্থী হায়দার কাদের বলেন, রাস্তার পাশের জমিতে সূর্যমুখী ফুলের ক্ষেত দেখে অনেক ভাল লাগে। তাই সময় পেলেই আমি সূর্যমুখী ফুলের ক্ষেতে ছবি তুলতে আসি। সূর্যমুখী ফুল দেখতে অনেক ভাল লাগে কারণ সুর্য যখন যে দিকে যায় তখন সেই দিকে ফুল হেলে যায় ।
নবাবগঞ্জ কৃষি অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় চাষিদের মাঝে সূর্যমুখী ফুলের চাষের আগ্রহ তৈরি করা হয়েছে। তাই উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। এর আগে কৃষকদের সূর্যমুখী ফুল চাষে তেমন একটা আগ্রহ ছিল না। এবার কৃষি অফিসের উদ্বুদ্ধকরণে নবাবগঞ্জে কৃষক সূর্যমুখী চাষ করেছেন।
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৬তম
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- চাঁপাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়েসহ ৩ নারীর প্রাণহানী
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্পেন
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ
- চাঁদপুরে ইলিশের সঙ্কট, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- দেশে দেশে শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি

