ঢাকা, বুধবার ০৪, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৪৯:০০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বায়ু ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৪ লাখ শিশুর মৃত্যুঝুঁকি: গবেষণা সতর্কবার্তা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন কারাবন্দিরা চালকদের বদঅভ্যাসেই শব্দদূষণ বাড়ছে: রিজওয়ানা রমজানে কম দামে মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধ বিক্রি করবে সরকার

ধামরাইয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: দগ্ধ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩৮ এএম, ৮ জানুয়ারি ২০২৩ রবিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকার একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটে শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে। এতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়। দগ্ধের মধ্যে মোছা. মরিয়ম (২) নামের এক শিশু শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।


শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে ধামরাই উপজেলার ইসলামপুর কুমড়াইল কবরস্থান সংলগ্ন দোতলা বাড়ির নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- মো. মনজুরুল ইসলাম (৩৫), জোসনা আক্তার (২৫), সাদিয়া আক্তার (১৯), হোসনে আরা (২০) ও মরিয়ম (২)। দগ্ধ মনজুরুলের বাড়ি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায়।

দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সুফিয়ান জানান, মনজুরুল ইসলাম পোশাক কারখানায় কাজ করেন। শনিবার ভোরে তার স্ত্রী জোসনা আক্তার রান্না করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। পরে আগুন ছড়িয়ে গিয়ে পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। এরপর তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্নে নিয়ে আসি। এখন তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে মনজুরুলের শ্যালিকা, ভাতিজি ও দুই বছরের শিশুকন্যা মরিয়মও ছিলো। সে মারা গেছে।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী আরেক ভাড়াটিয়া মো. নিজাম শেখ জানান, ভোরে তারা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন তখন বিকট একটি শব্দ শুনতে পান। এরপর ভবনের নিচতলা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে নিচতলায় গিয়ে দেখেন, বাসাটির ভেতর পাঁচজন দগ্ধ অবস্থায় কাতরাচ্ছে। আর আগুনে বিছানার কিছুটা পুড়ে গেছে। পরে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন জানান, ধামরাই থেকে শিশুসহ ৫ জন দগ্ধ হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে মনজুরুলের শরীরের ৩৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার স্ত্রী জোসনা আক্তারের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়াও সাদিয়া আক্তার দগ্ধ হয়েছেন ৭৫ শতাংশ। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের মধ্যে হোসনে আরা ২৫ শতাংশ ও মরিয়ম ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলো। মরিয়ম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।