‘পরিস্থিতি ভালো না হলে ক্লাস চলবে ডিজিটাল মাধ্যমে’
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:০১ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার
ছবি: সংগৃহীত
মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি ভালো না হলে ডিজিটাল মাধ্যমে ক্লাস চলবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জানুয়ারি পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। তবে অনলাইনে শিক্ষাদান কার্যক্রম চলবে।
বছরের শুরুতে নতুন বই হাতে পেলে শিক্ষার্থীদের যে আনন্দ হয়, তা থেকে শিক্ষার্থীরা যেন বঞ্চিত না হয় উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, সে জন্য আমরা বছরের প্রথম দিন থেকেই তাদের হাতে নতুন বই তুলে দিচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি শের-ই বাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র মিলনায়তনে যুক্ত হয়ে বই বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে স্কুল শিক্ষার্থীরা। তারা যেন নতুন বইটা পায়, নতুন বইয়ে নিজের নামটা লিখতে পারে, নতুন বইয়ের মলাট ওল্টানোর আনন্দটা পায় সেই চেষ্টা আমরা করেছি।
করোনার মধ্যে সময়মতো বই বিতরণের ব্যবস্থা করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পাঠ কার্যক্রম যেন ঠিকমতো চলে সেজন্য আমরা করোনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি।
করোনার কারণে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান জানান, শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করেই স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুল খোলা সম্ভব না হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান চলবে। ভর্তির ব্যবস্থাটাও অনলাইনে চলবে।
দীর্ঘদিন স্কুলে না যাওয়ায় শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের বাবা-মায়েদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা ছেলেমেয়েদের সময় দেবেন। তারা যেন খেলাধুলা করতে পারে সেই ব্যবস্থা করবেন। তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটা খেয়াল রাখবেন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে এবছর সব শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে বই বিতরণ করা হচ্ছে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিন দিন করে মোট ১২দিনে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন বই বিতরণ করা হবে।
প্রতিবছর গণভবনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসব উদ্বোধন করলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে ভার্চুয়ালি বই উৎসবের উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মাধ্যমিক পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেন। আর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার প্রায় তিনশ শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল এ অনুষ্ঠানে, তাদের সবাই এদিন নতুন বই পেয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামীকাল ১ জানুয়ারি সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বই বিতরণ শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে তিন দিন করে মোট ১২ দিন ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন বই বিতরণ করা হবে।
করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পয়লা জানুয়ারি বই উৎসব না হলেও বছরের শুরুতেই এসব শিক্ষার্থী বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। এবার ছাপা হচ্ছে প্রায় ৩৫ কোটি বই।
অন্যদিকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে এবার বইয়ের প্রচ্ছদে নতুনত্ব আনা হয়েছে। পাঠ্যপুস্তকের পিছনের (ব্যাক পেজ) মলাটে বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন স্থিরচিত্র ক্যাপশনসহ সংযোজন করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২১ সালে সর্বমোট পাঠ্যপুস্তকের সংখ্যা ১০ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৫টি। এর মধ্যে প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য ২ কোটি ৫৯ লাখ ৯২ হাজার ৬৭১ টি বই, তৃতীয়-চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য ৬ কোটি ৯৬ লাখ, ৯৭ হাজার ৩৭৪ টি। এর মধ্যে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদ্রী) শিশুদের জন্য পাঁচটি ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ১৩ হাজার ২৮৮টি বিশেষ ভাষায় বই বিতরণ করা হবে। তবে, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের ভাষায় শুধুমাত্র বাংলা বইটি পাবে। এবছর সাঁওতাল ভাষায় পাঠ্যপুস্তক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এবার ৯ হাজার ১৯৬ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জন্য ব্রেইল পদ্ধতির বই বিতরণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪ কোটি ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার কপি বই মুদ্রণ করার কাজ চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, শিক্ষাকে মানসম্মত করার লক্ষ্যে এবং ঝরে পড়ার হার রোধ করতে ২০১০ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিবছর ১ জানুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বই উৎসব’ করে আসছে। এবার বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে বই উৎসব করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের গন্ধ পাবে। গত ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর (২০২০ সাল) পর্যন্ত এই দশবছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে প্রায় ৩৩১ কোটি ৪৭ লাখ বই সারাদেশে বিতরণ করা হয়েছে।
-জেডসি
- আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ২৬ কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- তাপপ্রবাহের নীরব শিকার অন্তঃসত্ত্বা নারী ও গর্ভের শিশু
- রানীর দিঘির পাড়: জমে আছে কত ইতিহাস, কত স্মৃতি
- ব্রেন টিউমার জয় করে অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি
- মোচার ঘণ্ট: নারকেল ও ছোলা দিয়ে বাঙালি রান্না
- বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে ঝুঁকিতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশু
- মুখ খুললেন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর থেকে বেঁচে যাওয়া ক্রিস্টা পাইক
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও পতন
- পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা
- এইচএসসির ফল প্রকাশ: কোন বোর্ডে পাসের হার কত
- এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
- এইচএসসির ফল: জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
- এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
- অনলাইনে দ্রুত এইএসসির ফল জানবেন যেভাবে
- ঢাকার ছয় রুটে কাল থেকে চলবে ছয় কোম্পানির বাস
- তবলা বাজিয়ে রেকর্ড গড়ল আড়াই বছরের স্বরশ্রী
- দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- মেঘ সরলেই পঞ্চগড়ের আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা
- তাপপ্রবাহের নীরব শিকার অন্তঃসত্ত্বা নারী ও গর্ভের শিশু
- এইচএসসির ফল: জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
- হামে প্রাণ গেল ২ শিশুর, মোট মৃত্যু সাড়ে ১২০০ ছাড়ালো
- জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
- দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
- বাবার স্মৃতির পথে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রাঙ্গণে
- বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে ঝুঁকিতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশু
- বাজারে শীতের সবজির আগমন, স্বস্তি নেই সব পণ্যে
- ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষণে ১২তম
- প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও পতন
- এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ











