প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৪০ এএম, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে।
আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না।
রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক।
একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
- ইউএনও ফেরদৌস মারা গেছেন
- ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন মোতায়েন
- বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- অধিনায়কত্বের ম্যাচে সেরার স্বীকৃতিও ঋতুপর্ণার
- ফের তিতাসে দুর্ঘটনা, যেসব এলাকায় গ্যাস বন্ধ
- যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্যের অভিযোগ রুমিন ফারহানার
- ডেঙ্গুতে বছরে প্রথম মৃত্যু
- বিসিএস পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে হলে থাকার নির্দেশ
- সিরির জন্য গুগলের জেমিনি এআই বেছে নিলো অ্যাপল
- ৫টি সহজলভ্য প্রোটিনযুক্ত খাবার
- শুরুতেই বিতর্কের মুখে পোস্টাল ব্যালট
- বিদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রদানে নতুন নির্দেশনা
- ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট
- যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান
- রোজার সেই পুরোনো ভিডিও ভাইরাল
- শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন?
- যে কারণে স্মার্টফোনের দাম বাড়লো
- জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ইসির নতুন নির্দেশনা
- গোল্ডেন গ্লোবসে স্বামীকে নিয়ে রোম্যান্স
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনুসন্ধানে ‘এআই ওভারভিউ’ সরালো গুগল
- ইরানে বিক্ষোভে ১২ হাজার মানুষ নিহত
- ‘নির্বাচন ডাকাতি যেন আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে হবে’
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগুন আংশিক নিয়ন্ত্রণে
- ৫টি সহজলভ্য প্রোটিনযুক্ত খাবার
- সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি দুই লাখ ৩২ হাজার
- ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা অস্ট্রেলিয়া অধিনায়কের
- ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন বার্তা
- সোবোসলাইয়ের ‘হাস্যকর’ ভুলেও লিভারপুলের বড় জয়







