ঢাকা, শনিবার ০৪, জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৩:৩৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেষ ষোলোয় কবে কখন কে কার মুখোমুখি জুলাই শহীদ স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহে তিন দেশে মৃত্যু ৩৭০০ আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতি সর্বসাধারণের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা শুরু ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

বর্ষার আগেই আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ 

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫৯ পিএম, ৪ জুলাই ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

 বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর গ্রামের পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে নদীতীর বিলীন হয়ে যাওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে সরকারি রাস্তা, বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছরই এ এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিলেও স্থায়ী কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে বর্ষা এলেই আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। 

স্থানীয় বাসিন্দা মালেক মোল্লা (৬৫) বলেন, বর্ষার আগেই ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হলে ভাঙনের গতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। দেরি হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।

হারুন মুন্সি (৬০) বলেন, প্রতিবছরই নদীভাঙনের আতঙ্কে থাকতে হয়। একটি স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে। 

সেলেম কাজী (৫৫) বলেন, কয়েকদিন আগে সংসদ সদস্য এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আমরা চাই, খুব দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হোক। মানুষের জানমাল রক্ষায় এখনই পদক্ষেপ প্রয়োজন। 

এ বিষয়ে মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সানাউল কাদের বলেন, ভাঙনের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। খুব শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হবে। পাশাপাশি সেখানে স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আগেই জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়তে পারে।