ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, নভেম্বর ২০২০ ২১:০৮:১৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে করোনা শনাক্ত রোগী সাড়ে ৪ লাখ ছাড়াল বিবিসির বর্ষসেরা ১০০ নারী ব্যক্তিত্বের তালিকায় রিনা ও রিমা স্কুলে ভর্তির বিষয়ে কাল শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শেখ হাসিনা-মোদির ভার্চুয়াল বৈঠক ডিসেম্বরে বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৪ লাখ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৪১ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:০৯ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০২০ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় স্রোত ও রপ্তানি আয়ের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গতকাল দিন শেষে দেশের রিজার্ভ নতুন এ উচ্চতায় পৌঁছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ১০৩ কোটি ডলার, বাংলাদেশী মুদ্রায় যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে দেশের প্রায় ১০ মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব।

নভেল করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের আমদানি খাত। ব্যবসা, ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশীদের বিদেশ যাত্রাও প্রায় বন্ধ। অন্যদিকে রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফনের পাশাপাশি রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় ক্রমেই বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। একই সময়ে রফতানি আয়ে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুটি উৎস ইতিবাচক ধারায় থাকলেও ব্যয়ের খাত সংকুচিত হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানি ব্যয় কমেছে ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তুলনায় ব্যয় কম হওয়ায় সরকারের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ৩৫৩ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত থেকেছে। যদিও কয়েক বছর ধরে চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি ছিল।

গত ৩ জুন দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ২৪ জুন সেই রিজার্ভ আরো বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর ২৮ জুলাই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরও অতিক্রম করে। তিন সপ্তাহ পর গত ১৭ আগস্ট রিজার্ভ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। পরে তা আরো বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯ বিলিয়ন ডলারে। ৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকও ছাড়িয়ে যায়। উন্নতির এ ধারাবাহিকতায় অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।

-জেডসি