ভোলায় গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বাম্পার ফলন
ফিচার ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০২:০২ পিএম, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ বুধবার
সংগৃহীত ছবি
চলতি মৌসুমে জেলার ৭ উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। ৫ হাজার ৩’শ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৬ হাজার ৭’শ ৪৮ হেক্টর জমিতে। এটি টার্গেটের চেয়ে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমি বেশি। হেক্টর প্রতি সবজির উৎপাদন হয়েছে ১৮ মেট্রিক টন করে। নির্ধারিত জমি থেকে সবজি উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৪’শ ৬৪ মেট্রিক টন। সবজির ব্যাপক আবাদ ও উৎপাদনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে এখানে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির আবাদ শুরু হয়ে চলে জুলাই মাস পর্যন্ত। ইতোমধ্যে কৃষকরা কয়েক দফায় সবজি বিক্রি করেছেন। বাজার দর ভালো থাকায় লাভবান হয়েছে কৃষক।
তারা জানান, এসব সবজির মধ্যে ঢেরস, করোলা কাকরোল, দুন্দুল, চিচিঙ্গা, রেখা, ডাটা শাক, পুঁই শাক, কলমি শাক, পাটের শাক, মিষ্টি কুমোর, লাউ, কচু, শসা, বেগুন, পেঁপে, চাল কুমোর প্রভৃতি রয়েছে। বর্তমানে মাঠে গ্রীস্মকালীন সবজি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কিছুদিন পড়েই শীতকালীন সবজি চাষ শুরু হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি চাষে ‘অনাবাদি পতিত জমিতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ প্রকল্পের আওতায় ২৩’শ ৪৬ টি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রত্যেককে ১৯’শ করে টাকা, বরবটি, করলা, ঢেরস, পুঁই শাকসহ ৮টি সবজির বীজ ও ৪০ কেজি করে জৈব সার বিতরণ করা হয়েছে। ৩০ জন কৃষককে মোটিভ্যাশনাল ট্যুরে নিয়ে সবজি চাষে বিশেষ উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।
সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের কৃষক কামরুল ইসলাম, আব্দুল খালেক ও জাবেদ আলী বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম হওয়াতে শাক-সবজির ব্যাপক ফলন হয়েছে। পোকা-মাকরের আক্রমণও তেমন ছিলোনা। মাঠ পর্যায়ের কৃষি অফিসাররা আমাদের নিয়মিত পরামর্শ সেবা দিয়ে গেছেন।
একই ইউনিয়নের শান্তিহাট এলাকার হাতেম ও রহিম বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে অনেক সবজি পচে যায়। এবার তেমনটা কম হয়েছে। অনান্য সময়ের চেয়ে এবছর গ্রীস্মকালীন সবজির দামও ভালো ছিলো।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক হাসান ওয়ারেসুল কবির বলেন, জমি যাতে অনাবাদি না থাকে সে ব্যাপারে আমরা কৃষকদের সর্বোচ্চ উৎসাহিত করেছি সবজি চাষে। কৃষকরাও কঠোর পরিশ্রম করেছে।
তিনি আরো বলেন, এছাড়া বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মাঠে রোগ বালাইর আক্রমণ ছিলানা। বৃষ্টিপাত হয়েছে কম। তাই গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। আমাদের প্রশিক্ষিত কৃষকের সংখ্যাও বাড়ছে। তাই আবাদ ও ফলন দুটোই ব্যাপক হয়েছে।
হাসান ওয়ারেসুল কবির আরো বলেন, সবজি চাষে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় আড়াই হাজার কৃষক কারিগরী প্রশিক্ষণ পেয়েছে । একইসাথে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণে প্রায় ২৫ ভাগ সবজি ক্ষেত ফেরোমন ফাঁদের আওতায় এসেছে।
তিনি বলেন, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগসহ কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ সেবা প্রদান করা হয়েছে। এখানে উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা-বরিশাল হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় বলে জানান জেলা কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি


