রাজধানীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
জোসেফ সরকার | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১০:০৯ এএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার
ছবি: সংগ্রহিত।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বাজার ও ফুটপাথে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে বন্য ও পরিযায়ী পাখি। শীত মৌসুম এলেই হাওর, বিল ও জলাভূমি এলাকা থেকে ধরে আনা পাখি ঢাকার বাজারে তোলা হচ্ছে। এতে হুমকিতে পড়ছে পরিযায়ী পাখির নিরাপত্তা ও দেশের জীববৈচিত্র্য।
কারওয়ান বাজার, সদরঘাট, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে খাঁচায় বন্দি পাখি বিক্রির দৃশ্য দেখা যায় নিয়মিত। কোথাও জীবিত অবস্থায়, কোথাও জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে হাঁসজাতীয় ও ছোট আকারের বন্য পাখি।
ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে হাওর-বিলের পাখি বিক্রেতারা জানান, এসব পাখির বড় অংশ আসে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও গোপালগঞ্জের হাওর ও বিল এলাকা থেকে। শিকারিরা ফাঁদ পেতে পাখি ধরেন, পরে সেগুলো পাইকারের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়।
এক বিক্রেতা বলেন, “শীতে পাখি ধরার কাজ বাড়ে। মানুষ কিনে রান্না করে খায়, তাই বিক্রি ভালো হয়।”
আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিক্রি থামছে না
বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বন্য পাখি শিকার, হত্যা ও বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইনে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে রাজধানীতে প্রকাশ্যে পাখি বিক্রি চললেও নিয়মিত অভিযান চোখে পড়ে না। পরিবেশবাদীরা বলছেন, মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হলেও তা নিয়মিত না হওয়ায় শিকার ও বেচাকেনা বন্ধ হচ্ছে না।
পরিবেশের ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে আসা পরিযায়ী পাখি জলাভূমির কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। পাখির সংখ্যা কমে গেলে কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়বে।
জীববৈচিত্র্য গবেষকরা বলছেন, “একটি পাখি শিকার মানে শুধু একটি প্রাণী মারা যাওয়া নয়, একটি প্রাকৃতিক চক্রের ক্ষতি।”
সচেতনতার অভাব বড় বাধা
অনেক মানুষ জানেন না যে বন্য পাখি কেনা-বেচা আইনত অপরাধ। আবার কেউ কেউ বিষয়টি জেনেও উপেক্ষা করেন। এতে শিকারিরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
পরিবেশ সংগঠনগুলোর মতে, শীত মৌসুমে ঢাকার বাজারগুলোতে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি হাওর ও বিল এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা জোরদার করতে হবে।
করণীয় কী
পরিবেশবিদদের মতে—
– রাজধানীর বাজারে নিয়মিত অভিযান
– হাওর ও জলাভূমিতে শিকার রোধে টহল
– বিক্রেতা ও ক্রেতার বিরুদ্ধে মামলা
– স্কুল-কলেজে পাখি সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা
এসব উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে ঢাকার বাজারে পাখি বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিবেশকর্মী আহমেদ জামান রবী বলেন, “পরিযায়ী পাখি প্রকৃতির অতিথি। তাদের হত্যা করা মানে প্রকৃতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”
তিনি আরও বলেন, “এসব পাখিদের বাঁচাতে সরকারের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে অতিথি পাখি বা আমাদের দেশীয় পাখি রক্ষা করা সম্ভব নয় “
- মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- কাল সচিবালয়ে অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় আনন্দ মিছিল
- নতুন মন্ত্রিসভায় নারী প্রতিনিধিত্ব প্রশ্নের মুখে
- শীর্ষস্থান ফিরে পেলেন পাক স্পিনার সাদিয়া ইকবাল
- মন্ত্রিসভায় কোন বিভাগ থেকে কতজন আসল
- সরকারপ্রধান হিসেবে একই পরিবারের ৩য় ব্যক্তি তারেক
- সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়
- আলোচনায় থেকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন না যারা
- বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে কাজ করবো: রুমিন ফারহানা
- নতুন মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন
- শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন তারেক রহমান
- নারীরা শুধু ভোটার হয়ে যাবে, এটা কি লজ্জার নয়?
- আজ মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের ‘মারাত্মক স্বল্পচাপ’ থাকবে
- নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা
- পাখির দেশে বাংলাদেশ: বৈচিত্র্য, আবাসস্থল ও সংরক্ষণে চ্যালেঞ্জ
- রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা কত বেতন পান?
- নতুন সরকারের শপথ কেন বঙ্গভবনের বাইরে?
- ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অভিনয়শিল্পী তানিয়া বৃষ্টি
- বঙ্গভবনের বদলে সংসদ প্রাঙ্গণে শপথ, ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা
- এখন আমার যাওয়ার পালা: প্রধান উপদেষ্টা
- নিউজিল্যান্ডের নতুন অধিনায়ক অ্যামেলিয়া
- ছুটি শেষে ধীরে ধীরে ঢাকাবাসী ফিরছেন ঘরে
- আজ আকাশে দেখা যাবে ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ
- ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর
- প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ
- কন্যার ছবি প্রকাশ করলেন অভিনেতা অপূর্ব
- প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন তারেক রহমান










