ঢাকা, সোমবার ০৯, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১:২৭:১৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আদালতে নির্যাতনের বর্ণনা দিল শিশুগৃহকর্মী মোহনা বিপ্লবী কল্পনা দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে আবেদন সুদানে চলমান সংঘাতে এক মাসে ২০ শিশু নিহত আজ থেকে নির্বাচনের মাঠে থাকছেন ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন: চায়ের কাপে ভোটের উত্তাপ ২০২৬ সালের হজের ভিসা দেওয়া শুরু আজ

‘রোহিঙ্গা সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৫২ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ বুধবার

সফররত জাতিসংঘ মহাসচিবের মানবিক বিষয়ক দূত ড. আহমেদ আল মেরিকী বলেছেন, মানবিক সহযোগিতা বা ত্রাণ দিয়ে নয় রোহিঙ্গা সংকট সকলকে একসাথে মিলে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতিসংঘ বাংলাদেশ অফিস আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

ড. আহমেদ বলেন, যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হবে ততদিন জাতিসংঘ সকল প্রকার মানবিক ও আর্থিক সহযোগিতা বাংলাদেশকে দিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক হেনরিটা ফোরে বক্তব্য রাখেন।

তারা উভয়ই গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি যৌথ সফরে বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনশেষে আজকে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জাতিসংঘ দুত বলেন, “আজকে আমাদের রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। যাতে করে তারা ভালোভাবে জীবন-যাপন করতে পারে। মিয়ানমারে সামাজিক পরিবর্তন আসার পর তাদের দেশে না ফেরত যাওয়া পর্যন্ত শিশুদের জন্য কাজ করতে হবে।”

হেনরিটা বলেন, “রোহিঙ্গা শিশু ও কিশোরদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের নিজের পায়ে দাড়াতে সহযোগিতা করতে হবে। সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা একদিন তাদের সম্প্রদায় তথা বিশ্বের জন্য সম্পদ হিসাবে গন্য হবে।” 

ইউনিসেফ বাংলাদেশ ৬ লাখ ৮৫ হাজার রোহিঙ্গার জন্য ২০১৯ সালের জন্য ১৫২ মিলিয়ন ডলার ফান্ড সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে। ফেব্রƒয়ারির মধ্যে আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ শতাংশ ফান্ড সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি বলেন।

তিনি বলেন, বয়স্ক রোহিঙ্গাদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিসহ নানান উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে।

ইউনিসেফ বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সের ১ লাখ ৫৫ হাজার শিশুকে শিক্ষা ও সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভিযানে নির্মমভাবে নির্য়াতনের শিকার হয়ে গত বছর আগস্ট পর্যন্ত ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে আশ্রয় গ্রহণ করে।