ঢাকা, সোমবার ০৯, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৪:০৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে কাল মঙ্গলবার সকালে নাইমা হায়দারসহ পদত্যাগ করেছেন হাইকোর্টের ২ বিচারপতি টানা দ্বিতীয় জয়ের প্রত্যাশায় নিউজিল্যান্ড নির্বাচনের দিন মেট্রোরেল চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আগামী ১০ বছরে চাঁদে শহর গড়ার স্বপ্ন ইলন মাস্কের নাটোরে বসতবাড়িতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু জরিপে ৬০ শতাংশ ভোটারের পছন্দ তারেক রহমান

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, বাড়ছে দুর্ভোগ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৪০ পিএম, ১৪ জুলাই ২০২০ মঙ্গলবার

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, বাড়ছে দুর্ভোগ

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, বাড়ছে দুর্ভোগ

টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি বাড়ছেই। সবগুলো প্রবাহিত হচ্ছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে।

সদর উপজেলার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী গোয়াইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে আছে। এছাড়া সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

জেলায় কয়েক দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সৃষ্ট এ বন্যায় জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। প্লাবিত এলাকায় বাঁধ ও পাকা রাস্তাসহ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয়া লোকজন বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও শৌচাগারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বন্যাকবলিত এলাকায় বাঁধ ও পাকা রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় মানুষজনকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

গোয়াইনঘাটে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও এখনও নিমজ্জিত রয়েছে অনেক ঘরবাড়ি, চালু হয়নি জেলা ও উপজেলার সড়ক যোগাযোগ। শ্রমিক ও দিনমজুরা বেকার রয়েছেন, গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার পিরিজপুর-সোনারহাট রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চলতি মৌসুমে এ নিয়ে দুই দফা বন্যার মাঝে ঘরবাড়ি থেকে পানি নামলেও ফসলের মাঠ আর ভেসে উঠেনি।

গোয়াইনঘাটে ২০টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হলেও এদের বেশির ভাগই ডুবে রয়েছে। কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে নেই আক্রান্তদের তাৎক্ষণিক উদ্ধারের ব্যবস্থা।

সিলেট জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলার মধ্যে পাঁচ উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৩৭টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব এলাকায় ২১৫ মেট্রিক টন চাল, ৫ লাখ টাকা নগদ এবং প্রায় ৯ শ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘কানাইঘাট ও ভারতের মেঘালয়ে প্রবল বর্ষণের কারণে সুরমা নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অবশ্য আগামী চার-পাঁচ দিন পানি কমবে। কিন্তু ১৯, ২০, ২১ ও ২২ জুলাই সিলেটে ভারী বর্ষণে আবারও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।’

জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় খাদ্য, নগদ টাকা ও শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকায় বিদ্যালয়গুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

সূত্র : ইউএনবি