ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ১২:০৮:২৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: নিহত বেড়ে ২৩ বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বধ্যভূমি মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৯:২৩ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০১৮ শুক্রবার

বাংলা ছবির কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের আজ বুধবার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কোলকাতায় মারা যান এই অভিনেত্রী।

 

বাংলাদেশের পাবনা জেলাতে ১৯২৯ সালের ৬ এপ্রিল এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এ অভিনেত্রী। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার নাম ছিলো রমা দাশগুপ্ত। সুন্দর মুখশ্রীর এই মেয়েই পরবর্তীতে পরিচিতি লাভ করেন সুচিত্রা সেন হিসাবে।

 

১৯৪৭ সালে বর্ধিষ্ণু শিল্পপতি পরিবারের সন্তান দিবানাথ সেনকে বিয়ের সূত্রে কলকাতায় আসেন পাবনার রমা। বিয়ের পরে ১৯৫২ সালে ‘শেষ কথায়’ রূপালি পর্দায় নায়িকার ভূমিকায় প্রথম আত্মপ্রকাশ তার। পাবনার রমার নাম বদলে হয় সুচিত্রা। আর তার পরেরটা শুধুই ইতিহাস। কেবলই কিংবদন্তির পথে এগিয়ে চলা। তার হাত ধরেই বদলে যায় বাংলা চলচ্চিত্রের নায়িকার সংজ্ঞা।


‘সাত নম্বর কয়েদী’ ছবিতে অভিনয় করার পর সুচিত্রা সেন পিনাকী মুখার্জি পরিচালিত ‘সংকেত’ ছবিতে অভিনয় করেন। তখনও তিনি ‘সুচিত্রা সেন’ নাম ধারন করেননি। সে নাম আসে এর পরের ছবি অর্থাৎ নীরেন লাহিড়ীর ‘কাজরী’ ছবির মাধ্যমে ১৯৫২ সালে। সিনেমা জগতে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন উত্তমকুমারের জুটি হিসেবে অভিনয়ে। উত্তম-সুচিত্রা শব্দটি ছিলো তখনকার চলচ্চিত্রের আশির্বাদ। কখনো প্রেম যুগল, কখনো দাম্পত্যজীবনের গল্পে তারা হয়ে উঠেছিলেন অনবদ্য। আলাদা সংসার থাকলেও এই দুজনের প্রেম নিয়ে অনেক মুখরোচক কথাই ছড়ানো আছে টালিগঞ্জের ইতিহাসে।


সুচিত্রা সেন অভিনীত শেষ ছবি ‘প্রণয় পাশা’ মুক্তি পায় ১৯৭৮ সালে। ওই বছরই তিনি সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে চিরতরে অবসরগ্রহণ করেন। এরপর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন।


নায়ক উত্তম কুমার ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই মারা গেলে সেই রাতেই মহানায়কের দেহের ওপর মালা রেখে সুচিত্রা সেন ফিরে যান কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের বাড়িতে। তারপর তিনি মিডিয়ার সঙ্গে আর কথা বলেননি। একাকী নিঃসঙ্গ জীবন কাটান। এমনকি ২০০৫ সালে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার নিতেও যাননি তিনি। ২০১২ সালে বঙ্গ বিভূষণ পুরস্কার পান। তার হয়ে কন্যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের একটি আসনের সাংসদ ও টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুনমুন সেন এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। সুচিত্রা ছিলেন এক কন্যার জননী। সেই কন্যা মুনমুনও একজন গুণী অভিনেত্রী।