‘লকডাউন ধনীবান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়’
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১২:২৬ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন ধনীবান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয় বলে মন্তব্য করে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেছেন, সরাসরি খাদ্য সহায়তা দিয়ে অতি দরিদ্রদের হয়তো বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু ছোট ছোট শিল্প উদ্যোগগুলো ধ্বংস হলে সেগুলো পুনরায় গড়ে তোলা কঠিন হবে। আর মধ্যবিত্তের অবস্থা তো আরও নাজুক।
বুধবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
সেখানে তিনি লিখেছেন, আমার এই কথাগুলো হয়তো অনেকের পছন্দ হবে না, তাও বললাম। করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর হার ১০ থেকে ১৫ বাকি ৮৫ ভাগ সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু দারিদ্র্যের কশাঘাতে অপুষ্টির শিকার হলে ধুকে ধুকে মরতে হবে অনেককে।
লকডাউন দিলে মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর শান্তিতে থাকে সচ্ছল মানুষ। কিন্তু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগা মানুষদের জন্য লকডাউন কোনো শান্তির বার্তা আনে না। বরং তারা করোনার ঝুঁকি নিতে রাজি, কিন্তু আশু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে রাজি নয়।
লকডাউনে সচ্ছল ধনী মানুষ তার বড় বাসায় সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে পারবে, কিন্তু ঝুঁপড়ি ঘরে থাকা মানুষগুলো লকডাউনে একে অন্যের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হয় দিনের বেশিরভাগ সময়।
লকডাউনে কল-কারখানা খোলা রাখার অনুমতি যারা নিতে পেরেছে তারাই আবার প্রণোদনার অর্থ বেশি আদায় করতে পেরেছে। আর লকডাউনে যাদের কল-কারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে এদের বেশিরভাগই বঞ্চিত হয়েছে কোন রকম প্রণোদনা পেতে।
তিনি আরও লিখেছেন, ধনী দেশগুলোর পক্ষে লকডাউন কার্যকর করা সম্ভব, কিন্তু স্বল্পআয়ের দেশে লকডাউন কার্যকর করা কঠিন। তাই স্বল্পোন্নত দেশে লকডাউন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো যাবে না।
করোনার কারণে শিক্ষায় যে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য তৈরি হয়েছে তাতে ভবিষ্যৎ আয়-বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।
জীবন-জীবিকার সমন্বয়ে বাঁচতে হলে ভাবতে হবে, এখনই নিতে হবে অন্তত এক বছরের সার্বিক পরিকল্পনা। নয়তো বারবার লকডাউনের অপচয়ে পড়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির বোঝা বাড়বে।
-জেডসি
- প্রায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
- প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে
- নিখোঁজের পর নানাকে খুঁজে পেয়েছেন হিমি
- রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’
- শিশু অপহরণচক্রের দুই নারী সদস্য গ্রেপ্তার, তিন শিশু উদ্ধার
- পদ্মায় গোসল করতে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ
- লিচুতে সরগরম বাজার, বাড়ছে সরবরাহ কমছে দাম
- পাখিদের মৃত্যু, প্রকৃতির নিঃশব্দ বিদায়
- ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই
- পাকা কলার পিঠা, একটি মুখরোচক খাবার
- বাম্পার ফলন আমের: ২৭ লাখ টন ছাড়াতে পারে উৎপাদন
- গৌরনদীতে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য আপা প্রকল্প নিয়ে উঠান বৈঠক
- পাঁচ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান
- আগামী বছর পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই
- বাম্পার ফলন আমের: ২৭ লাখ টন ছাড়াতে পারে উৎপাদন
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ফের পতন
- গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
- বিশ্বকাপে নতুন ৪ ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ
- সৌদি সিনেমার প্রেমে মজেছেন মনিকার
- সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা
- এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- দেশের ৮টি অঞ্চলে রাতেই হতে পারে ঝড়
- বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশে একসঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত
- লিচুতে সরগরম বাজার, বাড়ছে সরবরাহ কমছে দাম
- হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী
- শিশুদের মাঠে ফেরাতে আধুনিক পার্ক গড়ছে সরকার
- পাঁচ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান
- গৌরনদীতে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য আপা প্রকল্প নিয়ে উঠান বৈঠক
- পাকা কলার পিঠা, একটি মুখরোচক খাবার










