ঢাকা, শুক্রবার ১২, জুন ২০২৬ ৬:৫৬:২৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাজেটে কমেছে ও বেড়েছে যেসব পণ্যের দাম সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু কমছে না আলুর দাম মেঘনায় নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার ১৯ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট আজ বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকছে ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট পেশ যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা আজ বৃহস্পতিবার পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের

আমি কী এখনো ভারতীয়?

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩৯ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ শনিবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল ভারত। পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লির পর কর্নাটক রাজ্যের রাজধানী ব্যাঙ্গালুরুসহ বিভিন্ন স্থানে চলছে আন্দোলন। সে আন্দোলন রুখতে বিভিন্ন প্রদেশে কারফিউ জারি করা হয়েছে। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

দেশটির নাগরিকত্ব আইনের সমালোচনায় সরব ভারতীয় সেলিব্রেটিরা। দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা কমল হাসান থেকে শুরু করে প্রিয়াংকা চোপড়া অনেকেই এআইনের বিরোধিতা করে ক্ষোভ জানিয়েছেন। এবার সেসব সেলিব্রেটির সঙ্গে যোগ দিলেন লাস্যময়ী বলিউড অভিনেত্রী ও প্রযোজক দিয়া মির্জা।

এক টুইটার বার্তায় তিনি মোদি সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তোলেন সদ্য পাস হওয়া আইন অনুযায়ী তিনি কি ভারতীয় কিনা!

টুইটে তিনি লেখেন– ‘আমার মা হিন্দু, জন্মদাতা বাবা খ্রিস্টান, আর যিনি লালন-পালন করেছেন তিনি একজন মুসলমান, তা হলে কি আমি ভারতীয়?’ ধর্ম দিয়েই যদি ভারতীয় না অভারতীয় প্রমাণ করতে হয়, তবে তিনি কোন সারিতে পড়ছেন? এমন প্রশ্ন ছুড়েছেন দিয়া। কারণ নাগরিকত্ব সনদে দিয়া মির্জা কোন ধর্মের অনুসারী তাই নাকি উল্লেখ নেই।

তিনি টুইটে লেখেন– ‘সরকারিভাবে আমার নামে যে কাগজপত্র আছে সেখানে আমার ধর্মের জায়গাটা ফাঁকা রয়েছে। তা হলে ভারতীয় প্রমাণ করতে কি আমার ধর্ম থাকতে হবে? আমি এটি কখনও করিনি, আশা করি ভবিষ্যতেও করব না।’

প্রসঙ্গত বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে নিপীড়নের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে সম্প্রতি আইন সংশোধন করেছে ভারত। এ আইন শুরু থেকেই মুসলিমবিরোধী আখ্যা পেয়েছে।

গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পরেই আইনে পরিণত হয় বিলটি। বিতর্কিত এই আইন বাতিলের দাবিতে ভারতে দফায় দফায় বিক্ষোভ চলছে।
   
-জেডসি