ঢাকা, বুধবার ২১, অক্টোবর ২০২৬ ০:৫০:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বদলে যাচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী টানা ৫ দিনের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, বাস টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড় লুটপাট-সহিংসতা: প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১৪জনের প্রাণহানী

কুমিল্লা শহরে অতিথি পাখিতে মুখরিত পুকুর-দীঘি

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৩৩ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২১ বৃহস্পতিবার

কুমিল্লা শহরে অতিথি পাখিতে মুখরিত পুকুর-দীঘি

কুমিল্লা শহরে অতিথি পাখিতে মুখরিত পুকুর-দীঘি

কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ঝাঁকে ঝাঁকে  অতিথি পাখি আসছে। বিশেষত শহরতলীর কয়েকটি পুকুর-দীঘিতে নামছে নানা রঙের পাখি। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার চম্পকনগর এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি পুকুরে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি নেমেছে।
সেখানে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের উপর অতিথি পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। পাখির কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত চারপাশ। কিছু পাখি পুকুরে ভাসছে, পাশাপাশি কচুরিপানার ফাঁকে খাবার সংগ্রহ করছে। পুকুর পাড়ে গিয়ে পাখির প্রদর্শনী দেখছে কিশোর-তরুণের দল।
পুকুরের মালিক গাজী রিয়াজ মাহমুদ বলেন, গত তিন বছর ধরে অতিথি পাখিদের অভয় আশ্রম হয়ে উঠেছে এ পুকুরটি। পাখিগুলোর কেউ যেন তাদের ক্ষতি না করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখি।
ওয়াইল্ড ওয়াচ ইনফো কুমিল্লার পরিচালক জামিল খান বলেন, কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর, ছোটরা জলায় আগে অতিথি পাখি নামতো। পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় সেখানে পাখি নামে না। শীতপ্রধান দেশের পাখিরা অতিথি হয়ে আসে আমাদের দেশে। একটু উষ্ণতার আশায় হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চলে আসে। খুঁজে নেয় নির্জন স্থান, জলাশয় ও বনাঞ্চল।
তিনি আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হল, অতিথি পাখিরা এদেশে অতিথি হয়ে থাকতে পারছে না। শিকারীর হাতে তারা ধরা পড়ছে। পাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। কুমিল্লার পুকুরগুলোতে পাখি নামার পরিবেশ করে দেয়া উচিত।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক অমিতাভ কুমার বাড়ৈ জানান, সাইবেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ফিনল্যান্ড, তিব্বতের উপত্যকা অঞ্চল থেকে প্রতিবছর অতিথি পাখি আসে। পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে বালিহাঁস, রাজহাঁস, মানিকজোড়, গাংকবুতর, চিনাহাঁস, নাইরাল ল্যাঙ্গি, ভোলাপাখি, হারিয়াল, বনহুর, বুরলিহাস ও সিরিয়া পাতিরা প্রভৃতি।
তিনি জানান, পাখিরা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়া এদের বিষ্ঠায় ফসফরাস রয়েছে। এই বিষ্ঠা সবজি উৎপাদনে সহায়ক। তাই পাখি রক্ষায় আমাদের সবার ভূমিকা প্রয়োজন।