ঢাকা, বুধবার ৩০, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪:২১:৫০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে চড়া ফলের বাজার, নজরদারির আশ্বাস গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেন, টিকে থাকতে স্কুল ছেড়ে কাজে শিশুরা বিশ্ব হৃদরোগ দিবস: দেশে হৃদরোগে প্রতিদিন প্রায় ৭৭৭ জনের মৃত্যু দেশের বাজারে ফের কমলো সোনার দাম ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কতা

গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেন, টিকে থাকতে স্কুল ছেড়ে কাজে শিশুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩৩ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষ এবং তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হাজার হাজার শিশু শিক্ষা বাদ দিয়ে কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে। সংঘাতের ফলে শত শত স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

এই সংকটে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া একজন শিক্ষার্থী ১৩ বছর বয়সী কিশোর মুনির ফারির। কিছুদিন আগেও অন্যরকম ছিল। সে প্রতিদিন সকালে স্কুলে যেত এবং বিকেলে তার কৃষক বাবাকে গবাদি পশুর যত্ন নিতে সাহায্য করত। পড়াশোনা নিয়ে মুনির খুবই সিরিয়াস ছিল।কৃষক পরিবারে জন্ম মনির শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। 

নতুন করে ইয়েমেনে দুই গোষ্ঠীর সংঘাত শুরু হলে এর প্রভাব মুনিরের মতো আরো অনেক শিশুর ভাগ্যে এসে পড়ে। দেশটির তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজেয়াহ জেলায় মুনিরদের গ্রামের কাছাকাছি যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকেই মুনিরের পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট হতে শুরু করে।

স্কুলের ক্লাসরুমে বসেই তারা দূর থেকে আসা তীব্র বিস্ফোরণ এবং গুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছিল। হঠাৎ করেই তাদের বাড়িটি ইরান-সমর্থিত হুতি এবং সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর যুদ্ধের একদম মুখোমুখি সীমান্তে পরিণত হয়।
মুনির জানায়, তারা আশেপাশের এলাকায় যুদ্ধ চলার কথা শুনলেও এটি এত দ্রুত তাদের গ্রামে চলে আসবে তা ভাবেনি। সংঘর্ষের শব্দ গ্রামের একদম কাছে চলে আসায় তারা প্রচণ্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত তারা তাদের গবাদি পশু এবং জরুরি জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে খুব ভোরেই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় পালিয়ে যায়।

সে এবং তার পরিবার দক্ষিণ-পশ্চিম তাইজ জেলার আল-শিমায়াতিন এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য তৈরি একটি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। সেখানে পৌঁছানোর সময় তাদের কাছে কোনো টাকা-পয়সা ছিল না, এমনকি বেঁচে থাকার মতো মৌলিক জিনিসপত্রও ছিল না।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ের কারণে যে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। মুনির ও তার পরিবার তাদেরই অংশ। হুতিরা নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার পর খুব দ্রুত দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয় এবং লোহিত সাগর উপকূলের শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।

হুতিদের এই অভিযানের ফলে ইয়েমেনে গত কয়েক বছর ধরে চলা শান্তি বিঘ্নিত হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনগুলো মোটামুটি শান্ত ও স্থিতিশীল