ঢাকা, শনিবার ০৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৫৮:১৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাল থেকে হজের ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবার শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পোস্টাল ভোট: ১২ ফেব্রুয়ারি কখন-কীভাবে গণনা হবে শাহবাগ-ইন্টারকন্টিনেন্টালে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা দুই দিন বন্ধ থাকবে দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৭৬৪০ টাকা

চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪৭ এএম, ১৫ নভেম্বর ২০২১ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ও ডাউকি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে উভয় পক্ষের দুই কর্মীকে। তবে এখনও কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, রোববার (১৪ নভেম্বর) রাতে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কুমারী ইউনিয়নে কুমারী গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় সাতটি মোটরসাইকেল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর কর্মী সেলিম উদ্দিন (২৫) ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী হিরণ আলীকে (২৮) আটক করে পুলিশ।

কুমারী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (আনারস প্রতীক) মোজাম্মেল হক আরটিভি নিউজকে জানান, রোববার (১৪ নভেম্বর) রাতে নির্বাচনী পথসভা শেষ করে আমার অফিসে এলে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদ পিন্টুর কর্মীরা হঠাৎ আমার নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় তারা। আরও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। বাধা দিতে গেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক ও তার ভাইসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীরা তাদের নিজেদের অফিস ভাঙচুর করে আমাদের নামে এখন দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

কুমারী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) আবু সাইদ পিন্টু আরটিভি নিউজকে জানান, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর কোনো অফিস ভাঙচুর করা হয়নি। বরং তার কর্মীরা আমার একটি অফিস ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। এ সময় রিপন ও লাভলু নামে আমার দুই কর্মীকে মারধর করে তারা। তাদেরকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ডাউকি ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (ঘোড়া প্রতীক) নাজমুল হোসাইন জানান, আমার নির্বাচনী এলাকার পোয়ামারি গ্রামে একটি অফিস ভাঙচুর করেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর কর্মীরা। এ সময় আমার কর্মী আলী হোসেনকে মারধর ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মিনি খাতুনের পেটে লাথি মেরে আহত করে তারা। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ডাউকি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) তরিকুল ইসলাম জানান, ধাক্কাধাক্কির সময় হয়তো তার অফিস ভেঙে গেছে। কাউকে মারধর করেনি আমার কর্মীরা। বরং আমার এক কর্মীকে তারা গালাগাল করেছে।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, কুমারী ইউনিয়নের ঘটনায় পুলিশ উভয়পক্ষের দুজনকে আটক করেছে। ডাউকি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর অফিস ভাঙচুরের খবর পেয়েছি। তবে কোনো প্রার্থীই থানায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ করেননি।