ঢাকা, সোমবার ০৩, আগস্ট ২০২৬ ৩:০৯:৫০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ঢাকায় জামাইয়ের হাতে স্ত্রী-শাশুড়ি খুন আগস্টে অতিবৃষ্টির আভাস, রয়েছে বন্যার ঝুঁকি জীবন বদলাতে গিয়ে প্রাণই হারালেন মরক্কোর নারী ফুটবলার শেভরন বাংলাদেশের নতুন প্রেসিডেন্ট শু শিয়ং রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজট পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত দক্ষিণখানে ডেন্টিস্ট হত্যা : স্বামী গ্রেফতার

‘জিনের নির্দেশে’ কবর থেকে মায়ের মরদেহ তুললো সন্তানরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪১ এএম, ২ আগস্ট ২০২৬ রবিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে তুলে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে জেলার মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হালিমা বেগম (৬৫) মরহুম সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।

পরিবারের দাবি, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়েকে ‘জিনে আসর’ করেছিল। তাদের দাবি ছিল, তাদের মা এখনো জীবিত। সেই বিশ্বাস থেকেই রাতে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১ আগস্ট) রাতে মরদেহটি প্রথমে মেলান্দহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরে জামালপুর শহরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন। পরে মরদেহটি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, শনিবার সকাল ৮টার দিকে হালিমা বেগমের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের কয়েকজন সদস্য অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা দাবি করেন, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়েকে ‘জিনে আসর’ করেছে এবং তারা বলছেন, হালিমা বেগম এখনো জীবিত রয়েছেন।

এরপর শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করেন। প্রথমে মরদেহটি মেলান্দহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর শহরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি বাড়িতে ফিরিয়ে নেন।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।