ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ৮:৩২:০৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ ইরানের পরিস্থিতি খারাপ হলে কঠোর হবে তুরস্ক

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের খসড়া প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪০ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রবিবার

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের খসড়া প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছেন, খসড়ায় একাধিক অসংগতি রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাতন্ত্র্য, ঐতিহ্য ও একাডেমিক উন্নতির জন্য অনুপযোগী এবং অযৌক্তিক।

ঢাকা কলেজে শনিবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাত কলেজের স্বায়ত্তশাসন রক্ষা ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অক্সফোর্ড মডেলের একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেখানে কলেজগুলোর প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা, নিজস্ব গভর্নিং বডি এবং সম্পদ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী পিয়াস আহমেদ আলিফ বলেন, খসড়ায় ইডেন কলেজ ও বদরুন্নেসা কলেজে সহশিক্ষা চালু করার প্রস্তাব রয়েছে, যা শতবর্ষের নারী অগ্রাধিকার কমাবে। খসড়ায় ধর্মভিত্তিক বিষয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামিক স্টাডিজসহ একাধিক বিভাগ বাদ দেওয়াকে তারা ‘ধর্মবিদ্বেষী মনোভাব’ হিসাবে উলে­খ করেছেন।

উদ্বেগ প্রকাশ করে এই শিক্ষার্থী বলেন, ইন্টারমিডিয়েট স্তরের ভবিষ্যৎ, অ্যালামনাই পরিচয়, ক্যাম্পাস ও হল ব্যবহারের অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ফ্যাসিলিটি ব্যবহারের সমাধান খসড়ায় নেই। তারা মনে করছেন, এতে প্রায় দুইশ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বেশকিছু দাবিও তুলে ধরা হয়। সেগুলো হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ব্যাপারে সাত কলেজের সব শিক্ষক, ছাত্র, অ্যালামনাই ও কর্মচারীদের সরাসরি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। প্রহসনমূলক ই-মেইলের মাধ্যমে মতামত গ্রহণ নয়, বরং খোলামেলা আলোচনায় বসতে হবে। কমিশন গঠন করে সময়োপযোগী ও টেকসই আইন প্রণয়ন করতে হবে। এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী সময় আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষার্থীরা।