ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ৩:০৬:৫৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

দুই যুদ্ধাপরাধীর আপিল শুনানি ১৮ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৩৮ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০১৯ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির সরকারের সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিলের বিষয়ে শুনানি শুরু হবে ১৮ জুন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজ বুধবার সকালে এ দিন ধার্য করেছেন। এ বেঞ্চের অপর তিন বিচারক হলেন-বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান এবং বিচারপতি জিনাত আরা।

আসামিপক্ষে শুনানি করেছেন- খন্দকার মাহবুব হোসেন, শিশির মোহাম্মদ মনির ও এম এস শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে ২০১৬ সালে ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর আপিলের রায় ঘোষণার পর থেকে ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট আপিল বিভাগের কার্যতালিকাতে আজহারুল ও কায়সারের আবেদন দুইটি শুনানির জন্য ওঠে। তবে আবেদন দুটির ওপর শুনানি কার্যতালিকার অনেক পেছনে থাকার কারণে সম্ভব হয়নি। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হওয়া আজ বুধবারের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এই দুই যুদ্ধাপরাধীর আপিলের শুনানির বিষয়টি রাখা হয়েছে।

দুই মামলার আপিল শুনানি বিষয়ে ১৮ জুন দিন দিন ধার্য করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, সেই দিন কার্যতালিকার এক নম্বরে এটিএম আজহারুল ইসলাম ও দুই নম্বরে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার আপিল মামলা থাকবে।

এর আগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেয়। প্রসিকিউশনের আনা ৯ ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য পাঁচটি এবং পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) প্রমাণিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে। ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস পাওয়ার জন্য আপিল করেছেন জামায়াতে ইসলামীর এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় সৈয়দ কায়সারকে ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন সৈয়দ কায়সার।


-জেডসি