দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামলো ৬.৯ ডিগ্রিতে
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:০৬ এএম, ১০ জানুয়ারি ২০২৩ মঙ্গলবার
ফাইল ছবি
সকালে সূর্যের দেখা মিললেও এখনও কনকনে শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা গতকাল থেকে কমেছে শূন্য দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সোমবার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুদিন ধরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের এ জনপদে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দুদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় এ জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত তাপমাত্রা ৯.৬, ৯.৫ ও ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল। সোমবার তাপমাত্রা কমে ৭ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ১ ডিগ্রি কমে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।
এর আগে, এই জেলায় ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে স্মরণকালের সবচেয়ে কম ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল।
সকাল থেকেই দেখা মিলেছে সূর্যের। তবে অনুভূত হচ্ছে প্রচন্ড শীত। সুর্যের মুখ দেখা গেলেও মিলছে না রোদের উষ্ণতা। শীত দুর্ভোগে পড়েছে নানান শ্রমজীবী-কর্মজীবী গরিব অসহায় মানুষ। পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে শুরু করে ছোটখাটো যানবাহন ভ্যান চালক মানুষগুলো পড়েছেন বিপাকে। তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেকে। তবে জীবিকার তাগিদে কাউকে নদীতে পাথর তুলতে, কাউকে চা-বাগানে আবার কাউকে দিনমজুরের কাজ করতে যেতে দেখা গেছে। শীতের দুর্ভোগ বেড়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। এসব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার যে ত্রাণ দিয়েছে তা একেবারে অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
চা শ্রমিক জামাল, জাহেরুল ও নাসির জানান, সকালে বরফের মতো ঠান্ডা। চা বাগানে কাজ করতে গেলে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। কিন্তু জীবিকার তাগিদে কাজে বের হতে হয় আমাদের।
পাথর শ্রমিক ইমরান, আরশাদ আলী ও আবু তাহের জানান, ঠান্ডায় নদীর পানি বরফের মতো মনে হয়। তারপরেও আমাদের পাথরই জীবিকা। তাই কাজে বেড়িয়েছি। কয়েকদিন ধরে নদীর ঠান্ডা পানিতে কাজ করে জ্বর-সর্দিতে ভুগলাম। ক্ষুধার্ত পেটতো ঠান্ডা বুঝে না। কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা করে সকালেই পাথর তোলার সরঞ্জাম নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি। একই কথা জানান কয়েকজন দিনমজুর ও নারী পাথর শ্রমিকরা।
নারী পাথর শ্রমিকরা জানান, তীব্র শীতের কারণে তাদেরও কাজে যেতে কষ্ট হচ্ছে। ঘর সংসার সামলে জীবিকার তাগিদে কাজে যেতে হচ্ছে। শীতের কারণে কাজে যেতে দেরি হলে মহাজনরা অনেক সময় কাজে নিতে চান না।
বীজতলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরাও। তারা জানান, ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতের কারণে ক্ষেতখামারে কাজ করতে পারছেন না। দেরিতে মাঠে যেতে হচ্ছে। এখন বোরো মৌসুম। ভুট্টা, মরিচ, গমসহ বিভিন্ন ফসলের বীজ বপন করতে হচ্ছে। শীতের কারণে দেরি করে জমিতে গিয়ে কাজ এগুচ্ছে না বলেও জানান তারা।
শীতের কারণে পড়ালেখা স্থবির হয়ে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। সকালে স্কুল শিক্ষার্থী তানিয়া, কাজল ও নাইমা খাতুন জানায়, কনকনে শীত। রাতেও শীতের কারণে পড়তে পারি না। রাতের তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। সকালে কুয়াশা আর বাতাসের কারণে প্রাইভেট পড়তে ও স্কুলে যেতে কষ্ট হচ্ছে।
এদিকে শীতে প্রকোপে বেড়েছে নানান শীতজনিত রোগ। জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা। উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
চিকিৎসকরা বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রোগীর চাপ বেড়েছে। এমনিতে শীত মৌসুমে আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় বাতাসে জীবাণুর পরিমাণ বেড়ে যায়। শীতজনিত রোগ হিসেবে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট বেশি হয়ে থাকে। আর শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পারলে কিছুটা হলেও সুরক্ষা মিলবে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, জেলায় গতকালের চেয়ে তাপমাত্রা কমে আজও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। সকাল ৯টায় ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সোমবার রেকর্ড করা হয়েছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। আজ কুয়াশা না থাকায় তাপমাত্রা কমেছে ও জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো.জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে এ পর্যন্ত চল্লিশ হাজার শীত বিতরণ করা হয়েছে। এ জেলার শীতার্ত মানুষের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে।
- এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা
- কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ১২
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস
- পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে
- ১০ দিনে নেপাল-তিব্বত: পাহাড় ও বিস্ময়ের এক ভ্রমণকাহিনি
- রোগী দেখতে ঢামেক হাসপাতালে এসে শিশু নিঁখোজ
- দেশের যেসব অঞ্চলে চার দিন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার
- কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি
- অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ
- আজ ঢাকার আকাশ মেঘলা, মাঝে মাঝে বৃষ্টির আশঙ্কা
- ঈদ সালামি: শিশুদের আনন্দের ঝুলি, ঐতিহ্যের মধুর বন্ধন
- ঈদে তারকাদের ব্যস্ততা-আনন্দ, কেমন কাটছে উৎসব
- দাদাভাইকে যেমন দেখেছি: আইরীন নিয়াজী মান্না
- চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন
- রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল
- রাজধানীর কোথায় কখন ঈদের জামাত জেনে নিন
- ঈদে তারকাদের ব্যস্ততা-আনন্দ, কেমন কাটছে উৎসব
- আজ ঢাকার আকাশ মেঘলা, মাঝে মাঝে বৃষ্টির আশঙ্কা
- আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব
- ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা
- ঈদের দিন রাজধানীর কোথায় কোথায় বেড়াতে যেতে পারেন
- জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী
- ঈদ সালামি: শিশুদের আনন্দের ঝুলি, ঐতিহ্যের মধুর বন্ধন
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল
- অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ
- দাদাভাইকে যেমন দেখেছি: আইরীন নিয়াজী মান্না
- ঈদের সেমাই: ঐতিহ্য ও স্বাদের অপূর্ব মেলবন্ধন
- নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত










