ঢাকা, রবিবার ১৪, জুন ২০২৬ ৯:১০:৪২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৮তলা থেকে পড়ে অভিনেত্রীর মৃত্যু, স্বামী রিমান্ডে ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে কাল চ্যাটজিপিটির প্রভাবে তরুণীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট

‘পদ্মাবত’-এর খিলজি ও আজম এক : জয়াপ্রদা

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৬:১৮ পিএম, ২৩ মার্চ ২০১৮ শুক্রবার

আলাউদ্দিন খিলজির সঙ্গে নাকি আজম খানের বিস্তর মিল! সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী তথা উত্তরপ্রদেশের রামপুরের প্রাক্তন সাংসদ জয়াপ্রদা।


ভারতিয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জয়া জানিয়েছেন, সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ‘পদ্মাবত’ ছবিতে খল চরিত্র আলাউদ্দিন খিলজি তাকে সমাজবাদী পার্টি (সপা) নেতা আজম খানকে মনে করিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় আজম খান তাকে ‘হেনস্থা’ করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।


সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ‘পদ্মাবত’-এ দুশ্চরিত্র, যুদ্ধপরায়ণ এবং কূট রাজনীতিকের চরিত্রে বাজিমাত করেছেন খিলজি রূপী রণবীর সিংহ। গোটা ছবিজুড়ে যার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে ছিল শুধুই হিমশীতল হিংস্রতা। এ হেন ভয়ঙ্কর চরিত্রের সঙ্গে আজম খানের মিল টেনে এনে স্বভাবতই খবরের শিরোনামে চলে এসেছেন জয়া।


এএনআইকে জয়া বলেছেন, ‘‘পদ্মাবত ছবিতে আলাউদ্দিন খিলজিকে দেখতে দেখতে আমার আজম খানের কথাই মনে পড়ে যাচ্ছিল। ভোটে লড়ার সময় আজম খান আমাকে নানাভাবে অপদস্থ করেছিলেন।’’

সপা নেতা আজম খানের বিরুদ্ধে এর আগেও বহুবার মুখ খুলেছেন জয়া। ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় জয়া অভিযোগ করেছিলেন, আজম খান তার ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে কুরুচিকর পোস্টার এবং ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছেন। আজম খানকে ‘অহংকারী’ এবং ‘দুর্নীতিপরায়ণ’ বলে মন্তব্যও করেছিলেন নায়িকা।

এন টি রামারাওয়ের হাত ধরে ১৯৯৪ সালে রূপোলি পর্দা থেকে রাজনীতির জগতে পা রাখেন জয়া। যোগ দেন তেলুগু দেশম পার্টিতে (টিডিপি)। পরে, ২০০৪ সালে টিডিপি ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন তিনি। এর পর উত্তরপ্রদেশের রামপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। সপার ঘরোয়া রাজনীতির জেরে অমর সিংহ শিবিরে যেতেই আজম খানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় জয়াপ্রদার। ২০১০ সালে সমাজবাদী পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হলে জয়া রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি)-তে যোগ দেন।