ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ১২:৫২:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

পর্যটনের নতুন আকর্ষণ বোয়ালিয়া বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৭ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০২১ বুধবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চারদিকে থৈ থৈ করছে পরিষ্কার পানি। তার উপরে বাঁশের তৈরি লাল-সাদা-সবুজ রঙের দৃষ্টিনন্দন ঘর। খোলা হাওয়ায় সেই ঘরে সবুজ প্রকৃতি উপভোগ করছে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ।
এমন দৃশ্যের দেখা মেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া বড়বাজার-বরিশল হেলিডি রোডের তিতাস নদীর মোহনার বরিশল বোয়ালিয়া বিলে। দূর থেকে এ দৃশ্য দেখে যে কারো মনে হবে এটি যেন কোনো সমুদ্র সৈকত। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বিলের পাড়ে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে এ বিল।
বোয়ালিয়া বিলের পাড়ের দৃষ্টিনন্দর এসব ঘর ও রেস্টুরেন্টের মালিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের বরিশল গ্রামের প্রবাসী মো. আলমগীর হোসেন ও ব্যবসায়ী নূরে আলম ভূঁইয়া। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিলের তীরে পানির উপরে গড়ে তোলা রং-বেরঙের এসব ঘরে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অল্প সময়েই ছড়িয়ে পড়েছে এ বিলের নাম। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে এখানে আসছে মানুষ। একান্তে কিছুটা সময় উপভোগ করছে।

আখাউড়া পৌর শহরের মসজিদ পাড়ার মো. পারভেজ মিয়া বলেন, লোকমুখে শুনে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে এখানে সময় কাটাতে এসেছি। তিতাসের মোহনায় পড়ন্ত বিকেলের মুক্ত বাতাস আর নয়নাভিরাম দৃশ্য মন জুড়িয়ে দেয়।


দুর্গাপুরের মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে ভালো কোনো রিসোর্ট নেই- যেখানে বসে অবসর সময় কাটানো যায়। এ কারণে বোয়ালিয়া বিলে এসেছি। এখানকার মুক্ত বাতাস আর নৈসর্গিক পরিবেশ খুব ভালো লাগছে।

বোয়ালিয়া বিলের পাড়ের রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারের মালিক মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমাদের এখানে বিনোদনের ভালো ব্যবস্থা নেই। অবসর সময় কাটানোর কিছু নেই। সে চিন্তা থেকেই তিতান নদীর মোহনায় বিলের মধ্যে এ রেস্টুরেন্ট তৈরি করেছি। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের খাবারও পাওয়া যায়। মানুষ এসব আয়োজনকে বেশ ভালোভাবেই গ্রহণ করেছে। ইচ্ছা আছে এটিকে আরো বড় করার।