ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০০:০৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

ফুল দিয়ে শহিদ মিনার বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আলিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৯ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রকৃতিকে ভালোবেসে ১২ হাজার টবে সাদা লাল নীলসহ নানান রঙের পিটুনিয়া ফুল দিয়ে সবচেয়ে বড় শহিদ মিনারের প্রতিকৃতি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ফুল দিয়ে বানানো এতো বড় শহিদ মিনার বিশ্বের আর কোথাও নেই। 
এজন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পেতে আবেদন করেছেন ঐ শিক্ষার্থী। এটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ।

রাজধানীর গুলশানের বেরাইদে ঠিকানা রিসোর্টে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহিদদের স্মরণে ফুল দিয়ে এটি বানিয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফরিন তাইয়্যেবা আলিফ। এমন শহিদ মিনার বানাতে পেরে আফরিন নিজেও আনন্দিত।

সোমবার দুপুরে আফরিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা মূলত প্রকৃতি নিয়ে কাজ করছি। গত বছর আমরা এখানে ফুল দিয়ে সাজিয়েছিলাম, এতে মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। দেখলাম যে, মানুষ প্রকৃতিকে অনেক ভালোবাসে। তাই ভাবলাম আমি যেহেতু প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছি, এবার আমাদের ইতিহাসটাকেও সংরক্ষণ করার চেষ্টা করব।

ইতিহাসকে তুলে ধরতে আগামীতেও কাজ করে যাবো উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের বয়সের অনেকেই হয়তো বাংলা ভাষার ইতিহাসটাকে নাও জানতে পারে। তারা যদি এখানে এসে শহীদ মিনারটাকে দেখে, ভাষায় মাস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে কথা উঠবে। এতে তারা অনেক কিছু জানবে। এই শহিদ মিনারটাকে কেন বানানো হয়েছে? আমাদের ইতিহাস নিয়ে কথা উঠবে। আসলে এই চিন্তা নিয়েই আমি ভাবলাম শহিদ মিনারটা বানাই। ফুল দিয়ে বানিয়েছি বলে মানুষের আকর্ষণটা অনেক বেশি।

আফরিন বলেন, কাঠ ও বাঁশের কাঠামোর ওপর এটা তৈরি করতে আমাদের ১২ হাজার ফুলের টব লেগেছে। একেকটি টবে প্রায় ২০টি করে ফুল রয়েছে। আমাদের এটার দৈর্ঘ্য ২২০ ফুট ও প্রস্থ ৩৪ ফুট। আমার ইচ্ছা ছিল এটা তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের জন্য আবেদন করার। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আবেদনের কাজ শেষ করেছি। এখন রেজাল্টের অপেক্ষায় আছি।

তিনি বলেন, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি আমাদের এখানে এসেছিলেন। তিনি এটি দেখে অভিভূত হয়েছেন। বাংলাদেশ-জাপানের বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। যেহেতু জাপান বাংলাদেশকে অনেক সাহায্য করে থাকে তাই আমাদের এখানে ফুল দিয়ে জাপানের একটি পতাকা বানানো হবে।

সামনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাস মার্চ। ২৬ মার্চ উপলক্ষে কিছু করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে সারি সারি রং বেরঙের ফুল দিয়ে বানানো শহিদ মিনার দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। পরিবার নিয়ে মিনারের সামনে ছবি তুলে ছুটির দিনটাকে ভালোই উপভোগ করছেন নগরবাসী।