ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৪:৫৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ফ্যামিলি কার্ড ছাড়াই আজ থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রয় শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১০ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০২৩ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আজ থেকে রাজধানীর ২৫ থেকে ৩০টি স্থানে সরকারি ভাবে ‘ট্রাক সেল’ শুরু হবে। যে কেউ দুই কেজি ডাল, আলু, পেঁয়াজ ও দুই লিটার সয়াবিন তেল নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য জানান।

সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, যে কেউ ৭০ টাকা কেজিতে ডাল, ১০০ টাকায় এক লিটার সয়াবিন, ৩০ টাকায় এক কেজি আলু এবং ৫০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। তার মতে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি ও ডলারের দামের কারণে অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে।

তিনি জানান, ডিম ও আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত আমদানি চলবে। কোল্ড স্টোরেজে পর্যায়ে তদারকি করবে স্থানীয় প্রশাসন। এখন পর্যন্ত আলু আমদানির জন্যে ২ লাখ টন আইপির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ১৫ হাজার টনের এলসি খোলা হয়েছে।

তপন কান্তি জানান, যারা ভোগ্যপণ্য মজুদ করে মানুষকে জিম্মিকারীদের বিষয়টি দেখছে প্রতিযোগিতা কমিশন। সেখানে ৬৫টি মামলা চলছে। দুটি কোম্পানিকে ৮ কোটি টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জরিমানার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছে।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন চিনি বিক্রি করা হবে না। চিনি আমদানি করা গেলে এই কর্মসূচিতে চিনিও যুক্ত হবে।

তপন কান্তি বলেন, আপাতত সব কর্মদিবসে এই বিক্রয় কার্যক্রম চলমান থাকবে। শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে। তবে পরবর্তীতে সপ্তাহের সব দিন কর্মসূচি চলবে। একেক এলাকায় একেক দিন পণ্য বিক্রি করা হবে, যাতে রাজধানীর সব এলাকার মানুষ ন্যাষ্যামূল্যের এসব পণ্য পায়।

টিসিবির কার্ডের মাধ্যমে ঢাকাতে ১৩ লাখ পরিবারকে ন্যায্য মূল্যে পণ্য দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কার্ড ছাড়া এতে নতুন করে আরও ৯ হাজার পরিবার পণ্য পাবে। প্রতি ট্রাক থেকে ৩০০ জন এই পণ্যগুলো পাবে।