ঢাকা, শুক্রবার ২৭, মার্চ ২০২৬ ১৮:০২:৫২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সবাক সিনেমার প্রথম কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর, অল্পের জন্য রক্ষা মমতার বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে ২৮ দিনে ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল রাজধানীতে সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম

বাবা-মাকে ছাড়াই যুক্তরাজ্যে যাচ্ছে শরণার্থী শিশুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৪ পিএম, ২৬ জুলাই ২০২১ সোমবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

বছরের এই সময়টায় ইংলিশ চ্যানেলে পানি থাকে সবচেয়ে উষ্ণ। তাই নিজেদের জীবন বিপন্ন করে ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় সমুদ্র পাড়ি দিয়ে শরণার্থীদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশের প্রবণতাও সবচেয়ে বেশি বাড়ে ঠিক এই সময়েই।

দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের উপকূলবর্তী কাউন্টি কেন্টের ডোভার বন্দরে এর মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক শরণার্থী এসে পৌঁছেছেন। বছরটা শেষ হতে আরও পাঁচ মাস বাকি। ফলে বছরের শেষে অবৈধ শরণার্থীদের সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা ভেবে এখন থেকেই আতঙ্কিত স্থানীয় প্রশাসন।

গত সপ্তাহে ব্রিটেনে তাপমাত্রার পারদ ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছিল। প্রশাসন জানাচ্ছে, শুধু গত সোমবারই ১৪টি নৌকায় করে কেন্টে পৌঁছেছেন কমপক্ষে ৪৩০ জন। ছোট ছোট নৌকায় ঠেসেঠুসে প্রচুর মানুষকে ঢুকিয়ে দেয় পাচারকারীরা। সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট থাকলেও মাঝ সমুদ্রে নৌকা উল্টে গেলে বেঁচে ফেরার পথ প্রায় থাকে না বললেই চলে। গত সপ্তাহের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে শুধুমাত্র কেন্টে ১৬ হাজার শরণার্থী ঢুকেছেন। তবে খুব সম্প্রতি নৌকা উল্টোনোর ঘটনা ঘটেনি।

শুধু তরুণরাই নন। শরণার্থীদের এই দলগুলোতে নারী ও শিশুদের সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। কেন্ট প্রশাসন জানাচ্ছে, গত মাসে অন্তত ৪০০টি শিশু যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছে যাদের সঙ্গে কোনো অভিভাবক ছিলেন না। দেশটির সরকারেরই একটি সূত্র বলছে, এশিয়া বা আফ্রিকায় পরিস্থিতি এখন এতটাই ভয়াবহ যে, অনেক ক্ষেত্রে এসব শিশুর বাবা-মায়েরাই মরিয়া হয়ে তাঁদের সন্তানদের একা একা ইউরোপ পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

শুধুমাত্র যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক- সিরিয়া বা দারিদ্র্যে ধুঁকতে থাকা আফ্রিকার লিবিয়া-সুদানই নয়। শরণার্থীদের দল আসছে আফগানিস্তান বা ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো থেকেও। ব্রিটেনের উপকূলরক্ষীদের হাতে ধরা পড়ে গেলে প্রায় দেড় বছর এই পরিবারগুলোকেই অস্বাস্থ্যকর, ঘুপচি ডিটেনশন সেন্টারে কাটাতে হয়।

সরকারিভাবে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করতে অনেকটাই সময় লেগে যায়। শিশুদের নিয়ে যাওয়া হয় ফস্টার সেন্টারে। তবে সেই পথ এড়াতে গিয়ে অনেকে ক্ষেত্রেই পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েন শরণার্থীরা। পুরুষদের ক্ষেত্রে তা-ও কম বেতনের চাকরি আর ছোট্ট ঘুপচি ঘরে থাকার জায়গা মেলে। নারীদের অনেক ক্ষেত্রেই জায়গা হয় যৌনপল্লীতে।

এশিয়া বা আফ্রিকা থেকে ইউরোপে ঢোকার পরে প্রাথমিকভাবে ফ্রান্সের ক্যালেতে পৌঁছান শরণার্থীরা। সেখান থেকেই ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ব্রিটেনের উদ্দেশে পাড়ি দেন তাঁরা। ক্যালে থেকে ডোভার বন্দরের দূরত্ব ৩৪ কিলোমিটার।

-জেডসি