ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ১৩:৪৫:২১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা

বিশ্বে প্রথম নাকে দেয়ার করোনা ভ্যাকসিন আনলো ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:১৯ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের প্রথম নাকে দেয়া করোনা ভ্যাকসিন বাজারে এনেছে ভারত। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মনসুখ মান্ডাভিয়া এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এমন তথ্য দিয়েছেন। নাকে প্রয়োগযোগ্য এ করোনা ভ্যাকসিনের নাম ইনকোভ্যাক। এটার প্রতিডোজের মূল্য ৮০০ ভারতীয় রুপি। তবে ভারত সরকার দেশটির জনগণের জন্য এটার মূল্য নির্ধারন করেছে ৩২৫ রুপি। এ ভ্যাকসিনটি আবিষ্কার করেছে ভারত বায়োটেক কোম্পানি।

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রাথমিক দুই ডোজ করোনা টিকা যারা নিয়েছেন, তারা বুস্টার ডোজ হিসেবে নাকে প্রয়োগযোগ্য ইনকোভ্যাক নিতে পারবেন বলে অনুমোদন দেয় দেশটির সরকার।

এর আগে, ভারতের ওষুধের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে নাকে দেয়ার ভ্যাকসিন ইনকোভ্যাক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ইনকোভ্যাকের দু’টি ডোজ ২৮ দিনের ব্যবধানে ব্যবহার করতে হবে। তবে যারা সতর্কতা বা বুস্টার ডোজ নিয়েছেন তাদের এ ভ্যাকসিন দেয়া যাবে না। দেশটির ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান গত মাসে এনডিটিভিকে এসব কথা বলেছেন।

এ ভ্যাকসিন তৈরিতে নিয়োজিত ভারত বায়োটেক জানিয়েছে, যে কেউ চাইলে কোউইন ওয়েবসাইটে গিয়ে নাকে প্রয়োগযোগ্য ভ্যাকসিনের ডোজ নেয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ইনকোভ্যাক ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে ভারত বায়োটেক। পরে এই ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালসহ প্রাক-ক্লিনিক্যাল সুরক্ষা মূল্যায়ন, বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন ও সরবরাহ সংক্রান্ত ডিভাইস উৎপাদন করে ভারতের এই সংস্থাটি।

ভারত সরকার তাদের করোনা সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে বায়োটেকনোলজি বিভাগের কিছু অংশে উন্নয়ন এবং ক্লিনিকাল ট্রায়াল সংশ্লিষ্ট কাজে অর্থায়ন করেছিল।

সূত্র: এনডিটিভি