ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১২:০২:৫৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও চেং লি-ওয়ানের ঐতিহাসিক বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫১ এএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও চেং লি-ওয়ানের ঐতিহাসিক বৈঠক

বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও চেং লি-ওয়ানের ঐতিহাসিক বৈঠক

এক দশকের দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এক ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল কুওমিনতাংয়ের (কেএমটি) চেয়ারউইম্যান চেং লি-ওয়ান। 

তাইওয়ান প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মাঝে এই উচ্চপর্যায়ের সংলাপকে এশীয় ভূ-রাজনীতির একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বৈঠকের শুরুতেই শি জিনপিং এই সফরকে স্বাগত জানিয়ে একটি আবেগী কিন্তু কৌশলগত বার্তা প্রদান করেন। 

তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রণালীর দুই তীরের মানুষ মূলত একই পরিবারের অংশ। আমাদের মধ্যকার যে কোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। 

শি জোর দিয়ে বলেন যে, কোনো বিদেশি শক্তির (যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করে) হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি রক্ষা করা সম্ভব। 

তিনি কুওমিনতাংয়ের ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতার অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

চেং লি-ওয়ান তার এই সফরকে অভিহিত করেছেন একটি ‘শান্তি ও বসন্তের যাত্রা’ হিসেবে। 

বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিশ্ব এখন তাইওয়ান প্রণালীকে অন্যতম বিপজ্জনক অঞ্চল হিসেবে দেখে। সংলাপ ও যোগাযোগের মাধ্যমেই আমরা এই তকমা মুছে ফেলে যুদ্ধ এড়াতে পারি। 

তিনি আরও যোগ করেন যে, দুই ভূখণ্ডের সাধারণ মানুষ সংঘাতের বদলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে।

এই সফরটি এমন এক সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন আগামী মে মাসে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের কথা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সফরের ঠিক আগে এই বৈঠকটি ওয়াশিংটনকে একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে যে, বেইজিং তার আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে অভ্যন্তরীণ সংলাপকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) এই সফরের তীব্র সমালোচনা করে একে ‘বেইজিংয়ের কাছে নতি স্বীকার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে কুওমিনতাং (কেএমটি) এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তাদের এই উদ্যোগ কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট