ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:১১:৪২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের নারী ভোটারদের পদচারণায় মুখর ভোটকেন্দ্র রাজধানীসহ সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান

ভোলায় দুর্বৃত্তের আগুনে খালা-ভাগ্নির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১৫ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভোলার লালমোহন উপজেলায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে  দগ্ধ হয়ে এক নারী ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত খাদিজার মা অংকুরা বেগম। 

শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার চরভুতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সুরমা (২৫) ও তার বোনের মেয়ে খাদিজা (৮)।  দগ্ধ অংকুরাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
নিহত সুরমা বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা গ্রামের রফিকের স্ত্রী ও খাজিদা চরভুতা গ্রামের রফিজলের মেয়ে।
 
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। অংকুরাও তার ছোট মেয়ে খাদিজা ও ছোটবোন সুরমাকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। 

এতে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সুরমা এবং আহত হয় খাদিজা ও তার মা অংকুরা। ঘরের লোকজনের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ভোলা এবং পরে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকাল ১১টায় শিশু খাদিজা মারা যায়। 

হাসপাতালে ভর্তি অংকুরার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ পুড়ে গেছে।
 
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির বলেন, নিহতের পরিবারের অভিযোগ সুরমার স্বামী রফিক এ আগুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। কারণ যৌতুক নিয়ে সুরমার সঙ্গে তার স্বামীর দীর্ঘদিন ধরে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। তবে রাতের আঁধারে কেউ ঘাতকদের দেখতে পায়নি বলে জানান ওসি। 

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লালমোহন থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

নিহত সুরমার মেঝ বোন শাহিনুর ও ভাই মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, সুরমার বাবার বাড়ি লালমোহন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পণ্ডিতবাড়ি। ছয় মাস আগে বোরহানউদ্দিনের দেউলা এলাকার রফিকের সঙ্গে বিয়ে হয় সুরমার। বিয়ের পর স্বামী রফিকের সঙ্গে তার বনিবনা হচ্ছিল না। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। এ নিয়ে বিচার সালিশও হয়। ১০ দিন আগে সুরমাকে রেখে চলে যায় তার স্বামী। সে বড় বোন অংকুরার বাড়িতে ওঠে। সেখানে এ ঘটনা ঘটে।