ঢাকা, রবিবার ২১, জুন ২০২৬ ৫:৩৫:১৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দ্রুততম গোলে তুরস্ককে হারিয়ে প্যারাগুয়ের জয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহের শুরুতেই কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের সহযোগিতার অঙ্গীকার ৬৪ সেকেন্ডেই বাজিমাত! প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎগতির গোলে হতবাক তুরস্ক ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি, দূষণের মাত্রা ‘মাঝারি’ ব্রাজিলের দাপুটে জয়, হাইতিকে উড়িয়ে নকআউটের পথে সেলেসাও কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম জয় মরক্কোর

মামলা এড়াতে স্ত্রীকে ঘরে তুললেন ক্রিকেটার শহীদ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০১:২৬ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার

মামলা এড়াতে স্ত্রী ফারজানা আক্তার ও দুই সন্তানকে ঘরে তুলে নিলেন ক্রিকেটার শহীদ। গত মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শহীদের বাবা ও কয়েকজন মুরব্বি মুন্সীগঞ্জে (শহীদের শ্বশুরবাড়ি) এসে তাদের নিয়ে যান।

প্রায় তিন মাস পর স্বামীর ঘরে ফিরে গেলেন ফারজানা আক্তার। গত জুনে নির্যাতন করে দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে বাড়ি (নারায়ণগঞ্জ) থেকে বের করে দেন পেসার শহীদ। এরপর তিনি আশ্রয় নেন মুন্সীগঞ্জে বাবার বাড়িতে। স্ত্রী-সন্তানদের ফিরিয়ে না নিতে অনড় অবস্থানে থাকেন শহীদ। বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে বিসিবিতে নালিশ করেন তার স্ত্রী ফারজানা।

স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও পরকীয়ার অভিযোগ এনে গত ৯ জুলাই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ফারজানা। বিসিবির পক্ষ থেকে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল। আপস-মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনের ওপর। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।

সুজনের কথা কানেই নেননি শহীদ। মধ্যস্থতায় কাজ না হওয়ায় সুজন মামলা করার পরামর্শ দেন। তবে মামলা করার আগে শহীদকে মেসেজে বিষয়টা জানাতে বলেন সুজন।

ফারজানার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মীমাংসার আর কোনো সম্ভাবনা না দেখে মঙ্গলবার দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ আদালতে মামলা করতে যান শহীদের স্ত্রী ফারজানা। সুজনের পরামর্শ মতো যাওয়ার আগে শহীদকে বিষয়টি মেসেজ করে জানান ফারজানা। মামলার সব কাগজপত্র চূড়ান্ত করে (পরের দিন মামলা হওয়ার কথা ছিল) বাসায় ফিরে দেখতে পান শহীদের বাবা ও তাদের কয়েকজন আত্মীয় বসে আছেন। তারা মামলা না করার অনুরোধ করেন ফারজানা ও তার পরিবারকে। ভবিষ্যতে আর কোনো সমস্যা হবে না, শহীদ ঠিক হয়ে যাবে- এমনটা আশ্বাস দিয়ে তারা ফারজানাকে নারায়ণঞ্জে শহীদের বাড়িতে নিয়ে যান। ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় শহীদ এই মুহূর্তে বাড়িতে নেই।

জানা গেছে, এই দুই দিনে ফারজানার সঙ্গে ফোনেও কথা বলেননি শহীদ। তবে ভোল পাল্টে শহীদের বাড়ির লোকজন ফারজানার সঙ্গে বেশ ভালো ব্যবহার করছেন এখন। ২০১১ সালের ২৪ জুন পারিবারিকভাবে পেসার শহীদ ও ফারজানার বিয়ে হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর শহীদ পাল্টে যান। তিনি অন্য মেয়েতে আসক্ত হয়ে পড়েন। এর প্রতিবাদ করলে শারীরিকভাবে প্রচণ্ডভাবে নির্যাতনের স্বীকার হন ফারাজানা। চলতি বছর ঈদুল ফিতরের তিন দিন আগে ফারজানাকে তার দুই সন্তানসমেত বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় ফারজানা আক্তারকে।