ঢাকা, বুধবার ১৭, জুন ২০২৬ ০:৩৫:২৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
আজ রাতে লড়াকু সেনেগালের সামনে শক্তিধর ফ্রান্স আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল ভুল নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রামিসা হত্যা: আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের ইতিহাস ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষণে শীর্ষে দিল্লি তোষামোদ নয়, সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আজ রাতে লড়াকু সেনেগালের সামনে শক্তিধর ফ্রান্স

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৬ পিএম, ১৬ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ফ্রান্স ২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে সেনেগালের বিপক্ষে তাদের মিশন শুরু করছে। আজ মঙ্গল রাত মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়)  নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে গ্রুপ আইয়ের এই উদ্বোধনী ম্যাচে নামছে লে ব্লু। যারা শক্তি ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে বিবেচিত।

ফ্রান্স সাম্প্রতিক দুই বিশ্বকাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। ২০১৮ সালে তারা বিশ্বকাপ জেতে এবং ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়। এবার তাদের লক্ষ্য আরও এক ধাপ এগিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছানো। যা ফুটবল ইতিহাসে বিরল কৃতিত্ব।

ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে গত দুই বিশ্বকাপে মোট ১২ গোল করেছেন। তিনি পেলের সমান গোলসংখ্যায় পৌঁছেছেন এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসের রেকর্ড থেকে মাত্র চার গোল দূরে আছেন। ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে তার হ্যাটট্রিক বিশ্বমঞ্চে তার অবস্থান আরও দৃঢ় করে।

ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম এই ম্যাচে তার কোচিং ক্যারিয়ারের ২০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ পরিচালনা করবেন। তিনি ১৯৯৮ সালে অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কোচ হিসেবে আবারও শিরোপা এনে দেন।

অন্যদিকে সেনেগাল বিশ্বমঞ্চে অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা আগেও দেখিয়েছে। ২০০২ বিশ্বকাপে তারা অভিষেকেই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল। সেই ম্যাচে পাপা বুবা দিয়পের একমাত্র গোলটি আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় চমক হিসেবে বিবেচিত।

সেনেগাল এখন পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ২০০২ ২০১৮ ২০২২ এবং ২০২৬। ২০০২ সালে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়ে যা এখন পর্যন্ত তাদের সেরা অর্জন। তবে পরবর্তী আসরগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স ধারাবাহিক ছিল না।

ডিফেন্সিভ দিক থেকে সেনেগালের অন্যতম সমস্যা হলো ক্লিনশিট ধরে রাখতে না পারা। ২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে তারা একাধিক ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে গোল হজম করেছে। যা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আক্রমণে সেনেগালের সবচেয়ে বড় ভরসা সাদিও মানে। অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড বাছাইপর্বে ৫ গোল করে আবারও নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছেন। তার সঙ্গে ইলিমান এনদিয়ায়ে ও নিকোলাস জ্যাকসনের মতো তরুণরা আক্রমণে গতি ও বৈচিত্র্য যোগ করবেন।

ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি ইতিহাসে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ২০০২ সালের সেই ম্যাচ যেখানে সেনেগাল ১-০ গোলে ফ্রান্সকে হারিয়েছিল। তবে এরপর ফ্রান্স বিশ্বফুটবলে নিজেদের অবস্থান অনেক বেশি শক্ত করেছে এবং নিয়মিত শিরোপা প্রতিদ্বন্দ্বী দলে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ফ্রান্স শীর্ষ তিনের মধ্যে অবস্থান করছে আর সেনেগাল রয়েছে শীর্ষ ২০-এর মধ্যে। অভিজ্ঞতা স্কোয়াড গভীরতা এবং বড় ম্যাচে পারফরম্যান্স সব মিলিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে রাখছে ফুটবল বিশ্লেষকরা।

সম্ভাব্য একাদশ-

ফ্রান্স: মাইক মাইগনান, জুলস কুন্দে, ইব্রাহিমা কোনাতে, উইলিয়াম স্যালিবা, থিও হার্নান্দেজ, অরেলিয়েন চুয়ামেনি, এদ্রিয়েন রাবিও, ওরেলিয়েন জাইরে এমেরি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মার্কাস থুরাম, উসমান ডেম্বেলে।

সেনেগাল: এদোয়ার্ড মেন্ডি, কালিদু কুলিবালি, আব্দুলায়ে সেক, ইসমাইল জাকবস, মুসা নিয়াকাতে, ইদ্রিসা গেয়, পাপ মাতার সার, লামিন কামারা, সাদিও মানে, ইলিমান এনদিয়ায়ে ও নিকোলাস জ্যাকসন।