ঢাকা, রবিবার ২১, জুন ২০২৬ ৫:৩৫:২৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দ্রুততম গোলে তুরস্ককে হারিয়ে প্যারাগুয়ের জয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্বে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহের শুরুতেই কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের সহযোগিতার অঙ্গীকার ৬৪ সেকেন্ডেই বাজিমাত! প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎগতির গোলে হতবাক তুরস্ক ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি, দূষণের মাত্রা ‘মাঝারি’ ব্রাজিলের দাপুটে জয়, হাইতিকে উড়িয়ে নকআউটের পথে সেলেসাও কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম জয় মরক্কোর

মার্চ থেকে ১৫ টাকায় চাল পাবেন পঞ্চাশ লাখ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০৮ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ রবিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, পহেলা মার্চ থেকে সারাদেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে পঞ্চাশ লাখ লোক ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন।

আজ রোববার (২৬ ফ্রেব্রুয়ারি) সকালে নওগাঁতে আটাপট্টি ও রুবির মোড় এলাকায় চলমান ওএমএস কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এমএমএস কার্যক্রম কত দিন চলবে সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “ওএমএস একটি চলমান কর্মসূচি। যতদিন এর চাহিদা থাকবে ততদিন চলবে। প্রয়োজন হলে সারাবছরই চলবে। চাল দেওয়া হবে, আটাও দেওয়া হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “নিন্মআয়ের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় তার জন্য ওএমএস চালু রাখা হয়েছে। আমরা ওএমএস দিয়ে যাবো। তবে দেখার বিষয় হচ্ছে জনগণ ঠিকঠাক মত পাচ্ছে কিনা, কোন ডিলার স্মাগলিং করছে কিনা। এজন্য পরিদর্শন ও মনিটরিং চলবে।”

সরকারি গুদামে খাদ্য মজুতের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ১০ লাখ টন নিরাপত্তা মজুতের বিপরীতে বর্তমানে ২১ লাখ টনের অধিক মজুত আছে।

এসময় তিনি আরও বলেন, “সারাদেশে প্রতিদিন চাল ও আটা মিলিয়ে প্রায় ১৪-১৫ হাজার টন খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। যতোদিন মানুষের চাহিদা থাকবে ততোদিন ওএমএস কার্যক্রম চালু রাখা হবে। এর পাশাপাশি খাদ্যবান্ধব অন্যান্য কর্মসূচিও চলবে। তাই আতঙ্কের কিছু নেই। দেশে কোন খাদ্য সংকট হবে না।”

ব্যবসায়ীদের হুশায়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “অতি মুনাফার লোভে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে মানুষকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করবেন না। নতুন আইন হচ্ছে, ইতোমধ্যে অনেক গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। নজরদারী বাড়ানো হয়েছে।”

অভিযানে রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ার, নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর হোসেনসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওএমএস নিতে আসা নারী পুরুষ জানান, চাহিদার তুলনায়
 বরাদ্দের পরিমাণ কম। বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ালে তাদের সুবিধা হতো। এসময় মন্ত্রী তাদের অসুবিধা বিবেচনার আশ্বাস দেন।