ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, মার্চ ২০২৬ ২৩:৪০:১৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
লম্বা ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, রণক্ষেত্র গ্রিন জোন শেষ সময়ের ঈদ বাজার: গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত কমলাপুরে ব্যাপক ভিড়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ২৬ ফ্লাইট কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬ জাতির পিতার জন্মদিন আজ উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রাবি অধ্যাপক আ-আল মামুনের বহিষ্কার দাবিতে বিক্ষোভ

রাবি প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১৪ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০২৫ মঙ্গলবার

অধ্যাপক আ-আল মামুন

অধ্যাপক আ-আল মামুন

রাকসুর নবনির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের বোরখা পরা ছবি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুনের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে ক্যাম্পাস।

পর্দার প্রতি অবমাননা ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে তাকে বহিষ্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভে রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সায়েদা হাফসা বলেন, হিজাব পড়ে নারীরা যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি পক্ষ তাদের নিয়ে কটাক্ষ করছে। নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের ছবি ব্যবহার করে টু-কোয়ার্টার ও মদের বোতলের উদাহরণ টেনে তিনি বোরখাকে সামাজিকভাবে অবমূল্যায়ন করেছেন। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তাকে দ্রুত বহিষ্কার করতে হবে।

রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, যদি তার সাহস থাকে, তিনি বিভাগে মদের বোতল হাতে ও হাফ প্যান্ট পরে আসুন। নইলে প্রশাসন তাকে শোকজ করবে। এখানে রাজনৈতিক দলের কেউ ছিল না—এটি শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ছবি। তাই এটি শিক্ষার্থীদের অস্তিত্ব, হিজাবের অস্তিত্ব ও মুসলমানদের অস্তিত্বে আঘাত।

এর আগে অধ্যাপক আ-আল মামুন তার অনলি-মি করা এক পোস্টে লিখেছিলেন— এই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আমি এন্ডোর্স করছি। কাল আমি এরকম স্বাধীনতা পরে ও হাতে নিয়ে ক্লাসে যাবো। পরবো টু-কোয়াটার, আর হাতে থাকবে মদের বোতল। মদ তো ড্রাগ না, মদের লাইসেন্সও আমার আছে!

—পাশাপাশি তিনি রাকসুর নারী প্রতিনিধিদের দুটি ছবি যুক্ত করেন। পরে পোস্টটি অনলি-মি করলেও এর স্ক্রিনশট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পাসে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।