ঢাকা, শনিবার ০৭, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৭:৪০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবার শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পোস্টাল ভোট: ১২ ফেব্রুয়ারি কখন-কীভাবে গণনা হবে শাহবাগ-ইন্টারকন্টিনেন্টালে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা দুই দিন বন্ধ থাকবে দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৭৬৪০ টাকা

`লঞ্চটি দ্রুত গতিতে নোঙ্গর করলে এতো মানুষ মরতো না`

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৫৪ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিকের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর)  জেলা প্রশাসক জহরুল আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শফিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, লঞ্চের আগুন ভোর ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

সেখানকার যাত্রীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, লঞ্চটিতে আগুন লাগার পরে দ্রুত গতিতে সুগন্ধা নদীর পাড়ে ভিড়ানো হয়নি। তাহলে হয়তো এতো ক্ষয়ক্ষতি হতো না। অনেক যাত্রী প্রাণে বেঁচে যেতাে।

যাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেকেই লঞ্চ থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। যাত্রীদের ধারণা হতাহতের সংখ্যা অনেক।

সাইদুর রহমান নামের এই যাত্রী বলেন, লঞ্চে শিশু, বুড়ো, নারীসহ কমপক্ষে তিন শতাধিক যাত্রী ছিল।

ইতালিফেরত এই যাত্রী বলেন, পোড়া গন্ধ পেয়ে আমি ভিআইপি কেবিন থেকে বেড়িয়ে এসে দেখি লঞ্চে আগুন লেগেছে। তখন আমার স্ত্রী, শ্যালক নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় নদী সাঁতরে তীরে উঠেছি। লঞ্চ ভাসতে ভাসতে কোথাও গিয়ে থেমেছে। তবে এটুকু বলছি, লঞ্চের কোনো অংশ পোড়ার বাকি নেই।

লঞ্চের যাত্রী সোলাইমান আকন বলেন, হঠাৎ বিকট শব্দে লঞ্চে আগুন ধরে যায়। লঞ্চের পেছনের অংশ থেকে তৃতীয় তলার সামনে পর্যন্ত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

কেবিন বয় ইয়াসিন বলেন, ওপরে থাকা বেশিরভাগ যাত্রী নদীতে লাফ দিয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ অভিযান-১০ বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বিষখালী নদীর চরে আটকে পড়া। এতে লঞ্চে থাকা ৪৩৪ জন যাত্রী পড়ে চরম দুর্ভোগে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ৩টার দিকে, ঢাকা-বরগুনা রুটের যাত্রী নিয়ে বরগুনা যাওয়ার পথে একই দিকে যাওয়া শাহারুখ-২ নামের আরেকটি লঞ্চকে ওভারটেক করতে গিয়ে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন চরপালট গুচ্ছগ্রাম সংলগ্নে ডুবোচরে উঠে যায় লঞ্চটি। এ ঘটনার ৩১ ঘণ্টা পার হলেও লঞ্চটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন নিজ খরচেই তাদের গন্তব্যে যেতে হয়।