ঢাকা, মঙ্গলবার ০৯, জুন ২০২৬ ১৯:৪৫:৩৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে পদ্মায় গোসল করতে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই আগামী বছর পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই

শিশু আকিফা হত্যা : বাসচালক দুই দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৫:০৫ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশু আকিফা হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাসচালক মহিত মিয়ার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
 
 
আজ বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই সুমন কাদেরী সিনিয়র জুডিশিয়াল প্রথম আদালতে মহিত মিয়ার ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আদালতের বিচারক এম এম মোর্শেদ শুনানি শেষে আসামির ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে মুহিত মিয়া শিশু আকিফা হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া কারাগারে রয়েছেন।


এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার বঙ্গেশ্বরদী এলাকা থেকে চালক মহিত মিয়াকে গ্রেফতার করেছিল কুষ্টিয়া র্যাব।
 
 
গত ২৮ আগস্ট রাজশাহী থেকে ফরিদপুরের উদ্দশ্যে ছেড়ে আসা গঞ্জেরাজ পরিবহনের একটি বাস শহরের চৌড়হাস মোড়ের কাউন্টারে এসে থামে। সে সময় থেমে থাকা বাসের সামনে দিয়ে এক বছরর শিশু কন্যা আকিফাকে কোলে নিয়ে রাস্তা পারা হচ্ছিলেন মা রিনা বেগম। হঠাৎ কোনো হর্ন ছাড়াই চালক খোকন বাসটি চালিয়ে দেন।


বাসের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে আহত হয় শিশুকন্যা আকিফা। এরই মধ্যে বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়।২৯ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায় শিশু আকিফা। 


আকিফার বাবা হারুন-উর রশীদ গত ৩০ আগস্ট এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বাসচালক ও মালিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ তা ৩০৪ ধারায় নথিভুক্ত করে।
 

পরবর্তীতে শিশু আকিফা মৃত্যুর ঘটনার দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুমন কাদেরী গত ১১ সেপ্টেম্বর  কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক এমএম মোর্শেদের আদালতে হাজির হয়ে আকিফাকে বাসচাপা ও মৃত্যুর জন্য চালক ও মালিককে দায়ী করে তথ্য উপাত্ত আদালতে উপস্থাপন করে মামলাটি ৩০২ ধারায় (হত্যা মামলা) সংযোজন করার আবেদন জানালে বিজ্ঞ আদালতে তা মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে আগের দিন জামিন পাওয়া বাসচালক ও মালিকের জামিন আদেশ বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।