ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৬, মার্চ ২০২৬ ১২:০৭:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: নিহত বেড়ে ২৩ বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বধ্যভূমি মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’ মুক্তি পাচ্ছে ২২ ডিসেম্বর

বাসস | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৩:৫৫ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৭ সোমবার

শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’ আগামী ২২ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড সম্প্রতি বিনা কর্তনে ছবিটির ছাড়পত্র প্রদান করেছে।


খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘আঁখি এবং আমরা ক’জন’ গল্প অবলম্বনে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম ছবিটি নির্মাণ করেছেন।


ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. ও মনন চলচ্চিত্রের প্রযোজনায় নির্মিত এ ছবিটি একযোগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। লাভেলো আইসক্রিম ছবিটির নিবেদক।


চলচ্চিত্রটির নাম ভূমিকায় শিশুশিল্পী জাহিন নাওয়ার হক ইশা অভিনয় করেছে। সে একজন অন্ধ কিশোরীর ভূমিকায় অভিনয় করে। ছবিতে অভিনয় আরো করেছেন সুর্বণা মুস্তাফা, তারিক আনাম খান, আল মনসুরসহ অনেকে।


ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় মোরশেদুল ইসলাম এর আগেও মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে ‘দীপু নাম্বার টু’ এবং ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ নির্মাণ করেছেন।


আঁখি ও তার বন্ধুরা চলচ্চিত্রের কাহিনীতে দেখা যাবে, বাসা ও স্কুল মিলিয়ে তিতুর জীবন দুর্বিসহ। ডাকনাম তিতু হলেও সবাই তাকে তিতা ডাকে। কোনো কিছুই তার ভালো লাগে না। স্কুলের শিক্ষকরা শিশুদের মন বোঝেন না। খালি বকাঝকা করেন। স্কুলের লাইব্রেরিতে যাওয়া যায় না। সেটা তালাবন্ধ থাকে। না বুঝে খালি পড়া মুখস্ত করতে হয়। বাসায় তার বড় ভাই টিটু মুখস্ত করায় ওস্তাদ। তাই সবার কাছে সে ভালো। তিতু মুখস্ত করে না তাই সবাই বলে- তার পড়াশোনায় মন নাই। তিতুদের স্কুলে নতুন হেডমিস্ট্রেস হয়ে আসেন ড. রাইসা। তিনি সবকিছু বদলে দিতে থাকেন। বেত পুড়িয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তির প্রথা বন্ধ করেন। লাইব্রেরি খুলে দেন। ধমক না দিয়ে সবার সাথে হেসে কথা বলেন। তিনি মনে করেন, শিক্ষার পদ্ধতিতে গলদ আছে। শিক্ষক একা কথা বলবে আর ছাত্ররা খালি শুনবে তা হয়না। এ কারণেই ছাত্ররা মনোযোগ দিতে পারে না। পড়তে আগ্রহী হয়না। ড. রাইসার আগ্রহে একটা অন্ধ মেয়ে, আঁখি, প্রতিবন্ধী স্কুলে না পড়ে সাধারণ স্কুলে পড়তে আসে। কিন্তু শিক্ষকের দুর্ব্যবহারে আঁখি যখন চলে যেতে চায়, তখন তিতু আর তার বন্ধুরা এগিয়ে আসে। তারা আঁখিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে চায়। আঁখি জানায় সে অন্ধ হিসেবে বিবেচিত হতে চায় না। সে আর দশজনের মত একজন হতে চায়। বন্ধুরা এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। তারা আঁখিকে অন্ধ হিসেবে কোনও করুণা করে না। স্রেফ বন্ধু মনে করে। কিন্তু সাধারণ হতে চাইলেই তো আর হওয়া যায় না। নানান প্রতিকূলতার মুখোমুখি পড়তে হয় আঁখি ও তার বন্ধুদের। এরকমই গল্পে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’।